সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: সোমবার রঘুনাথগঞ্জের সীমান্তবর্তী বাজিতপুরের চরে ‘দুয়ারে সরকার’ শিবির হল। এদিন সেখানকার কাজকর্ম পরিদর্শন করলেন জঙ্গিপুরের মহকুমা শাসক একাম জে সিং, রঘুনাথগঞ্জ-২ এর বিডিও দেবোত্তম সরকার, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোমিনা খাতুন সহ প্রশাসনের আধিকারিকরা। তাঁরা শিবিরে দুয়ারে সরকারের কাজকর্ম খতিয়ে দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
Advertisement
দুয়ারে সরকার শিবিরে সবমিলিয়ে প্রায় ৩০০ আবেদনপত্র জমা পড়েছে। বার্ধক্যভাতার আবেদনই সবচেয়ে বেশি জমা পড়েছে। সমস্ত আবেদন খতিয়ে দেখে যোগ্য আবেদনকারীদের পরিষেবা দেওয়া হবে।
বিডিও বলেন, এই এলাকা মূল শহর থেকে বিচ্ছিন্ন। এমনিতেই সারাবছর এখানে সরকারি পরিষেবা দেওয়া হয়। দুয়ারে সরকারের মাধ্যমে সমস্তরকম পরিষেবা এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রাখা হয়। এতে মানুষ লাভবান হন।
জঙ্গিপুর তথা রঘুনাথগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ১০ কিমি দূরে রয়েছে বড়শিমূল পঞ্চায়েতের চর পিরোজপুর ও বাজিতপুর গ্রাম। এই দু’টি গ্রামের মধ্য দিয়ে পূর্ব ও পশ্চিমে চলে গিয়েছে ফরাক্কা ব্যারেজ প্রকল্পের বাঁধ। যা বিএসএফ রোড নামেই পরিচিত। বিএসএফ রোড ছাড়িয়ে বড়শিমূল গ্রামের শেষ প্রান্তে বিস্তীর্ণ চর এলাকা। গ্রামের পাশ দিয়ে বাংলাদেশের দিকে বয়ে গিয়েছে পদ্মা নদীর একটা অংশ। নদীর পাড়েই বাহুড়া ১১৫ নম্বর ব্যাটেলিয়নের বিএসএফ ক্যাম্পের চেকপোস্ট রয়েছে। সীমান্তে কাঁটাতাদের বেড়া না থাকলেও নদীর পাড় বরাবর জওয়ানরা টহল দেন।
নদীর বাঁশের সাঁকো পেরিয়েই বাজিতপুর গ্রাম। এরপর প্রায় তিন কিমি ঢালাই রাস্তা পেরিয়ে পিরোজপুর গ্রামে পৌঁছে দেখা গেল, দুয়ারে সরকার-এর শিবিরে বহু মানুষ ভিড় জমিয়েছেন। বাজিতপুর শাহাবুদ্দিন মেমোরিয়াল এমএসএকে চত্বরে এদিন দুয়ারে সরকার শিবির বসে। মহকুমা শাসক নিজে শিবিরে গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের সরকারি কোন পরিষেবা প্রয়োজন, সেবিষয়ে খোঁজ নেন। অনেকের আবেদনপত্র খতিয়ে দেখেন। কেন এতদিন তাঁরা সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত ছিলেন,-সেবিষয়েও জানতে চান। গ্রামবাসীদের পাশাপাশি কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন।
বিডিও বলেন, এই এলাকা মূল শহর থেকে বিচ্ছিন্ন। এমনিতেই সারাবছর এখানে সরকারি পরিষেবা দেওয়া হয়। দুয়ারে সরকারের মাধ্যমে সমস্তরকম পরিষেবা এলাকার মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রাখা হয়। এতে মানুষ লাভবান হন।
জঙ্গিপুর তথা রঘুনাথগঞ্জ শহর থেকে প্রায় ১০ কিমি দূরে রয়েছে বড়শিমূল পঞ্চায়েতের চর পিরোজপুর ও বাজিতপুর গ্রাম। এই দু’টি গ্রামের মধ্য দিয়ে পূর্ব ও পশ্চিমে চলে গিয়েছে ফরাক্কা ব্যারেজ প্রকল্পের বাঁধ। যা বিএসএফ রোড নামেই পরিচিত। বিএসএফ রোড ছাড়িয়ে বড়শিমূল গ্রামের শেষ প্রান্তে বিস্তীর্ণ চর এলাকা। গ্রামের পাশ দিয়ে বাংলাদেশের দিকে বয়ে গিয়েছে পদ্মা নদীর একটা অংশ। নদীর পাড়েই বাহুড়া ১১৫ নম্বর ব্যাটেলিয়নের বিএসএফ ক্যাম্পের চেকপোস্ট রয়েছে। সীমান্তে কাঁটাতাদের বেড়া না থাকলেও নদীর পাড় বরাবর জওয়ানরা টহল দেন।
নদীর বাঁশের সাঁকো পেরিয়েই বাজিতপুর গ্রাম। এরপর প্রায় তিন কিমি ঢালাই রাস্তা পেরিয়ে পিরোজপুর গ্রামে পৌঁছে দেখা গেল, দুয়ারে সরকার-এর শিবিরে বহু মানুষ ভিড় জমিয়েছেন। বাজিতপুর শাহাবুদ্দিন মেমোরিয়াল এমএসএকে চত্বরে এদিন দুয়ারে সরকার শিবির বসে। মহকুমা শাসক নিজে শিবিরে গিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁদের সরকারি কোন পরিষেবা প্রয়োজন, সেবিষয়ে খোঁজ নেন। অনেকের আবেদনপত্র খতিয়ে দেখেন। কেন এতদিন তাঁরা সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত ছিলেন,-সেবিষয়েও জানতে চান। গ্রামবাসীদের পাশাপাশি কর্মীদের সঙ্গেও কথা বলেন।
স্থানীয় বৃদ্ধা গোলেনুর বেওয়া বলেন, আমি বার্ধক্যভাতার জন্য আবেদন করেছি। কাগজপত্র ঠিক না থাকায় এতদিন আমার বার্ধক্যভাতা চালু হয়নি। এবার দুয়ারে সরকারে কাগজপত্র জমা করেছি। আমাদের এলাকা মূল শহর থেকে বিচ্ছিন্ন। তার উপর বিএসএফের কড়া নজরদারি ও বিধিনিষেধ থাকে। সেজন্য এখানে সরকারি পরিষেবা একটু কম পৌঁছয়। তাই এবার দুয়ারে সরকার হওয়ায় খুব সুবিধা হল। পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বলেন, এখন চরে রাস্তাঘাট, বিদ্যুৎ পরিষেবা, স্কুল চালু-সবই হয়েছে। কিছু সমস্যা রয়েছে। সেগুলি আগামী দিনে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। পঞ্চায়েত প্রধান আবদুল হক বলেন, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে চরবাসীর কাছে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া হয়। দুয়ারে সরকার-এ আবেদনের ভিত্তিতে পরিষেবা দেওয়া হবে।



