সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: বহিরাগতদের এলাকায় এনে পিস্তল নিয়ে দাপাদাপির অভিযোগ উঠল রঘুনাথগঞ্জ ২ ব্লকের প্রাক্তন পূর্ত কর্মাধ্যক্ষের স্বামীর বিরুদ্ধে। প্রতিদিন এলাকায় এসে মহিলাদের গালাগালি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার রাতে রঘুনাথগঞ্জের সেকেন্দ্রা গ্রামপঞ্চায়েতের লালখান দিয়ারে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। শুরু হয় ইটবৃষ্টি। খবর পেয়ে জঙ্গিপুর এসডিপিও প্রবীর মণ্ডলের নেতৃত্বে ঘটনাস্থলে আসে রঘুনাথগঞ্জ থানার বিশাল পুলিসবাহিনী। এলাকায় অশান্তি সৃষ্টির অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। পূর্ত কর্মাধ্যক্ষের স্বামীর গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয় বলেও পাল্টা দাবি করা হয়েছে।
Advertisement
এ প্রসঙ্গে জঙ্গিপুরের এসডিপিও প্রবীর মণ্ডল বলেন, এলাকায় অশান্তি পাকানোর অভিযোগে উভয় পক্ষের দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কোনও অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। এলাকায় পুলিস পিকেট বসানো হয়েছে, এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে ধরে রাখতে শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গণ্ডগোল দীর্ঘদিনের। এদিন সন্ধ্যায় প্রাক্তন পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সুরাইয়া খাতুনের স্বামী মাসুদ করিম জঙ্গিপুর শহর থেকে কয়েকজন দুষ্কৃতীকে সঙ্গে নিয়ে লালখানদিয়ারে যান। তারপর এলাকায় রীতিমতো দাপিয়ে বেড়ান। এলাকাবাসীদের গালিগালাজ করার পাশাপাশি পিস্তল নিয়ে মানুষকে ভীতি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদ করেন শাসকদলের অপর গোষ্ঠী। তা নিয়েই উভয় পক্ষের পক্ষে বচসা বাধে। বচসাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় ইটবৃষ্টি। স্থানীয় দলীয় কার্যালয়েও ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। এক রাউন্ড গুলিও ছোড়া হয়। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কর্মাধ্যক্ষের স্বামীর গাড়ি ভাঙচুর করেন। গাড়ির সমস্ত কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। কর্মাধ্যক্ষের স্বামী সহ পাঁচজনকে আটক করে থানার নিয়ে যায় পুলিস। পরে দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।
এলাকায় অশান্তি সৃষ্টির অভিযোগে বুধবার দুপুরে লালখানদিয়ারে মহিলারা পথে নামেন। পূর্ত কর্মাধ্যক্ষের স্বামীর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ দেখান মহিলারা। স্থানীয় গৃহবধূ রেবিনা বিবি বলেন, আমরা তৃণমূল দলটা করি। ওঁরাও করেন। তাহলে আমাদের উপর এই জুলুম কেন? মাসুদ বহিরাগতদের এনে গালাগাল করছেন, পিস্তল নিয়ে ভয় দেখাচ্ছেন। আমরা আতঙ্কে রয়েছি। তাছাড়া ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার ক্ষতিও হচ্ছে। দুষ্কৃতীদের শাস্তি দিক পুলিস, আমরা শান্তিতে থাকতে চাই।
প্রসঙ্গত, সেকেন্দ্রা, লালখানদিয়ার ও গিরিয়া এলাকার ক্ষমতা দখলের লড়াই দীর্ঘদিনের। কয়েক মাস এলাকা শান্ত থাকলেও ফের শান্ত এলাকাকে অশান্ত করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। সেকেন্দ্রা গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান পারভিন খাতুন বলেন, অকারণেই এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। পুলিস অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে। রঘুনাথগঞ্জ-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ইউসুফ শেখ বলেন, গণ্ডগোলের খবর আমার জানা নেই। তবে কেউ সুস্থ এলাকাকে অশান্ত করলে আইন আইনের পথে চলবে।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে ধরে রাখতে শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে গণ্ডগোল দীর্ঘদিনের। এদিন সন্ধ্যায় প্রাক্তন পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সুরাইয়া খাতুনের স্বামী মাসুদ করিম জঙ্গিপুর শহর থেকে কয়েকজন দুষ্কৃতীকে সঙ্গে নিয়ে লালখানদিয়ারে যান। তারপর এলাকায় রীতিমতো দাপিয়ে বেড়ান। এলাকাবাসীদের গালিগালাজ করার পাশাপাশি পিস্তল নিয়ে মানুষকে ভীতি প্রদর্শন করেন বলে অভিযোগ। এর প্রতিবাদ করেন শাসকদলের অপর গোষ্ঠী। তা নিয়েই উভয় পক্ষের পক্ষে বচসা বাধে। বচসাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় ইটবৃষ্টি। স্থানীয় দলীয় কার্যালয়েও ভাঙচুর চালানো হয় বলে অভিযোগ। এক রাউন্ড গুলিও ছোড়া হয়। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কর্মাধ্যক্ষের স্বামীর গাড়ি ভাঙচুর করেন। গাড়ির সমস্ত কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। কর্মাধ্যক্ষের স্বামী সহ পাঁচজনকে আটক করে থানার নিয়ে যায় পুলিস। পরে দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।
এলাকায় অশান্তি সৃষ্টির অভিযোগে বুধবার দুপুরে লালখানদিয়ারে মহিলারা পথে নামেন। পূর্ত কর্মাধ্যক্ষের স্বামীর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ দেখান মহিলারা। স্থানীয় গৃহবধূ রেবিনা বিবি বলেন, আমরা তৃণমূল দলটা করি। ওঁরাও করেন। তাহলে আমাদের উপর এই জুলুম কেন? মাসুদ বহিরাগতদের এনে গালাগাল করছেন, পিস্তল নিয়ে ভয় দেখাচ্ছেন। আমরা আতঙ্কে রয়েছি। তাছাড়া ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার ক্ষতিও হচ্ছে। দুষ্কৃতীদের শাস্তি দিক পুলিস, আমরা শান্তিতে থাকতে চাই।
প্রসঙ্গত, সেকেন্দ্রা, লালখানদিয়ার ও গিরিয়া এলাকার ক্ষমতা দখলের লড়াই দীর্ঘদিনের। কয়েক মাস এলাকা শান্ত থাকলেও ফের শান্ত এলাকাকে অশান্ত করা হচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। সেকেন্দ্রা গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান পারভিন খাতুন বলেন, অকারণেই এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। পুলিস অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করেছে। রঘুনাথগঞ্জ-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি ইউসুফ শেখ বলেন, গণ্ডগোলের খবর আমার জানা নেই। তবে কেউ সুস্থ এলাকাকে অশান্ত করলে আইন আইনের পথে চলবে।



