সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: বুধবার গভীর রাতে রঘুনাথগঞ্জের বড়শিমূলে আগুন লেগে পাশাপাশি চারটি বাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। ঘরে ধোঁয়া দেখে কোনওরকমে বাইরে বেরিয়ে আসেন পরিবারের লোকজন। তাঁদের চিৎকার শুনে পড়শিরা এসে বালতি ও পাইপ নিয়ে আগুন নেভাতে হাত লাগান। খবর পেয়ে জঙ্গিপুর ফাঁড়ির পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে দমকলে খবর দেয়। তবে দমকলের ইঞ্জিন এসে পৌঁছনোর আগেই স্থানীয়রা আগুন নিভিয়ে ফেলেন। পুলিসের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন লেগেছিল। চারটি পরিবারেরই বেশ কয়েকলক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে বাড়ির মালিকরা জানান।
Advertisement
বুধবার গভীর রাতে বড়শিমূল পঞ্চায়েতের জালিবাগান এলাকার মানুষ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন। রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ ওই চারটি বাড়িতে ধোঁয়ায় ঘর ভরে যায়। একটি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যা সাবিনা বিবি বলেন, ঘুম থেকে জেগে কিছুই আর ঠিক করতে পারছিলাম না। কোনওরকমে দুই ছেলেকে নিয়ে প্রাণ হাতে করে বাইরে বেরিয়ে আসি। আমার চোখের সামনেই ঘরের আসবাবপত্র পুড়ে যায়।
হাঁটাচলা করতে অক্ষম মাস্কুরা বিবি বলেন, আমি ঘরে একাকী শুয়ে ছিলাম। খুব কষ্টে বাইরে বের হই। আগুন দেখে আতঙ্কে কাউকে ডাকতে পারিনি।
বেবি খাতুন বলেন, আমি তিন ছেলেমেয়েকে সঙ্গে নিয়ে পাশের গ্রামে বাপের বাড়ি গিয়েছিলাম। আগুন লাগার খবর পেয়ে এসে দেখি, সবকিছুই পুড়ে গিয়েছে। রান্নার সরঞ্জাম, পোশাক-পরিচ্ছদ, লেপ-তোশক কিছুই অবশিষ্ট নেই। সরকারি সাহায্য পেলে ভালো হয়।
রঘুনাথগঞ্জ-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোমিনা খাতুন বলেন, খবর পেয়ে সকালেই এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবাগুলির সদস্যদের সঙ্গে কথাও বলেছি। সত্যি তাঁদের খুব করুণ অবস্থা। ভাগ্যক্রমে তাঁরা সবাই বেঁচে গিয়েছেন।
হাঁটাচলা করতে অক্ষম মাস্কুরা বিবি বলেন, আমি ঘরে একাকী শুয়ে ছিলাম। খুব কষ্টে বাইরে বের হই। আগুন দেখে আতঙ্কে কাউকে ডাকতে পারিনি।
বেবি খাতুন বলেন, আমি তিন ছেলেমেয়েকে সঙ্গে নিয়ে পাশের গ্রামে বাপের বাড়ি গিয়েছিলাম। আগুন লাগার খবর পেয়ে এসে দেখি, সবকিছুই পুড়ে গিয়েছে। রান্নার সরঞ্জাম, পোশাক-পরিচ্ছদ, লেপ-তোশক কিছুই অবশিষ্ট নেই। সরকারি সাহায্য পেলে ভালো হয়।
রঘুনাথগঞ্জ-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মোমিনা খাতুন বলেন, খবর পেয়ে সকালেই এলাকা পরিদর্শনে গিয়েছিলাম। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবাগুলির সদস্যদের সঙ্গে কথাও বলেছি। সত্যি তাঁদের খুব করুণ অবস্থা। ভাগ্যক্রমে তাঁরা সবাই বেঁচে গিয়েছেন।



