সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: দ্বিতীয়বার বিয়ের দিন দশেকের মাথায় রঘুনাথগঞ্জে ঘর থেকে এক বধূর মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিস। মঙ্গলবার সকালে ঘটনায় রঘুনাথগঞ্জের ইছাখালিতে চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতার নাম আজমিরা খাতুন(৩২)। তাঁর বাড়ি রঘুনাথগঞ্জ থানার ইছাখালি গ্রামে। এদিন জঙ্গিপুরে মহকুমা হাসপাতাল মর্গে তাঁর দেহের ময়নাতদন্ত হয়। মৃত বধূর প্রথম পক্ষের ১০ বছর বয়সি একটি ছেলে রয়েছে। ওই বধুকে শ্বাসরোধ করে খুনের পর ঝুলিয়ে দেওয়া হয় বলে বধূর বাপের বাড়ির লোকজনের দাবি। বিয়ের পর থেকেই মৃতার স্বামী ওই বধূর উপর অত্যাচার শুরু করে বলে অভিযোগ। দোষীকে গ্রেপ্তার করে উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছে গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকজন। মৃতার স্বামী রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। জঙ্গিপুর ফাঁড়ির পুলিস জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মৃতার স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
Advertisement
জানা গিয়েছে, রঘুনাথগঞ্জ থানার গঙ্গাপ্রসাদ গ্রামের আজমিরা খাতুনের সঙ্গে দিন দশেক আগে পার্শ্ববর্তী ইছাখালি গ্রামের রফিকুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের প্রথম দু'দিন ঠিকঠাক ছিল। তারপরই অশান্তি শুরু হয়। গৃহবধূর উপর অত্যাচার শুরু হয় বলে অভিযোগ। গৃহবধূর প্রথম পক্ষের ছেলে মায়ের কাছে এলে তাকেও মারধর করে ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয় বলে অভিযোগ। সোমবার রাতে ফোন করে মারধরের কথা বাপের বাড়িতে জানান ওই বধূ। এদিন সকালে মৃতার দেওর বধূর বাপের বাড়ির লোকজনকে ডাকতে যায়। বাপের বাড়ি লোকজন এসে তাঁকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। মৃতার বোন ফরিদা খাতুন বলেন, দিন দশেক আগে দিদির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই অত্যাচার শুরু করে। দিদিকে খুন করে ঝুলিয়ে দিয়েছে। প্রসঙ্গত, আড়াই মাস আগে দুই সন্তান রেখে মারা যায় রফিকুলের প্রথম স্ত্রী। এ প্রসঙ্গে লক্ষ্মীজোলা গ্রামপঞ্চায়েতের উপপ্রধান পিন্টু সিংহ বলেন, সঠিকভাবে তদন্ত করে পুলিস তাকে সাজা দিক।



