সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: বৃহস্পতিবার দুপুরে রঘুনাথগঞ্জের কাশিয়াডাঙায় ছেলেধরা সন্দেহে তিন যুবক ও তিন যুবতীকে স্থানীয় স্কুলে আটকে রাখেন বাসিন্দারা। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। এলাকায় ছেলেধরার খবর ছড়িয়ে পড়তেই সহস্রাধিক মানুষ স্কুল চত্বরে ভিড় করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে জঙ্গিপুর ফাঁড়ির পুলিস। ক্ষিপ্ত জনতার হাত থেকে যুবক-যুবতীদের কোনওপ্রকারে উদ্ধার করে পুলিস থানায় নিয়ে যায়। পুলিস জানিয়েছে, ওই যুবক যুবতীরা কোথা থেকে কী উদ্দেশ্যে এসেছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। কিছু মানুষ গুজব ছড়িয়ে এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। জানা গিয়েছে, এদিন সকালে কাশিয়াডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের হাটপাড়ায় গৌরস্থান এলাকায় ওই ছয় যুবক-যুবতী আসে। তারা দীর্ঘক্ষণ সেখানেই ঘোরাঘুরি করছিল। তা দেখে বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। তাঁরা ওই যুবক-যুবতীদের নাম পরিচয় জানতে চান। তারা জানায়, স্কুলে সার্ভের কাজ করতে এসেছে। প্রথমে তারা কলকাতা থেকে এসেছে বলে জানায়। কিন্তু, তাদের কাছে হরিয়ানার একটি পরিচয়পত্র পাওয়া যায়। এদিকে সার্ভের বিষয়টি নিয়ে স্কুলের শিক্ষকদের কাছ থেকে জানতে চাওয়া হলে তাঁরা এবিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানান। আর তাতেই বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। তখন তাদের হাটপাড়া প্রাথমিক স্কুলে আটকে রাখে। পুলিস তাদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে গ্রামবাসী বাধা দেয়। পরিস্থিতির চাপে এক যুবতী সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়ে। যুবতীকে উদ্ধার করে তার চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা মসিবুর রহমান বলেন, ওই যুবক যুবতীরাই নানারকম কথা বলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করলে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। আসলে তাদের কী উদ্দেশ্য ছিল, তা বাসিন্দারা জানার চেষ্টা করেন। কাশিয়াডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মমতাজ বিবি বলেন, কলকাতায় রয়েছি। কী ঘটেছে ফিরে খোঁজ নেব।



