সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: ফরাক্কার পর এবার রঘুনাথগঞ্জ! ছয় বছরের বালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠল বছর পঞ্চান্নর এক প্রৌঢ়ের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ওই বালিকার বাবা রঘুনাথগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ জানান। পুলিস অভিযুক্ত সোমনাথ মালকে গ্রেপ্তার করেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। জঙ্গিপুরের এসডিপিও প্রবীর মণ্ডল বলেন, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বালিকার চিকিৎসার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে ধৃত ব্যক্তির আইন অনুযায়ী শাস্তি হবে।
Advertisement
ফরাক্কার নাবালিকাকে ধর্ষণের দায়ে ৬১দিনের মাথায় দু’জনের সাজা ঘোষণা করেছে জঙ্গিপুর মহকুমা আদালত। মূল অপরাধীর মৃত্যুদণ্ড ও অপর দোষীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন বিচারক। সেই ঘটনার সাজা ঘোষণার দু’সপ্তাহও হয়নি। তাতেও যে অপরাধীদের মনে ভয় ধরেনি, রঘুনাথগঞ্জের ঘটনা তার জলজ্যান্ত প্রমাণ।
পুলিস জানিয়েছে, জামুয়ার গ্রাম পঞ্চায়েতের ওই বালিকা প্রায় মাসখানেক আগে খেলতে গিয়ে পড়ে গিয়েছিল। তার হাতের চিকিৎসা চলছিল। দু’দিন আগেই তার হাতের প্লাস্টার খোলা হয়। মঙ্গলবার সকালে ওই বালিকা তার মাকে বলে বাইরে খেলতে যায়। অভিযোগ, সেসময় প্রতিবেশী সোমনাথ তাকে ঘরের তাক থেকে ব্যাগ পেড়ে দিতে বলে। সেইসঙ্গে তাকে চকোলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে যায়। সেসময় ওই প্রৌঢ়ের ঘরে আর কেউ ছিল না। অভিযোগ, সে নাবালিকাকে ঘরে ডেকে দরজা বন্ধ করে দেয়। এরপর তার অন্তর্বাস খুলে যৌন নির্যাতন করে। এরপর ওই বালিকাকে হুমকি দেয় যে, একথা কাউকে জানালে তাকে কেটে বস্তায় ভরে ক্যানেলের জলে ফেলে দেবে। কিছুক্ষণ পর মেয়েটি ঘরে ফিরলে তার চোখেমুখে আতঙ্ক মায়ের নজর এড়ায়নি। প্রথমে ওই বালিকা ভয়ে মাকে কিছু বলতে চায়নি। তবে বেশ কিছুক্ষণ পরে মাকে পুরো ঘটনা খুলে বলে। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকাবাসীর মধ্যে প্রচণ্ড ক্ষোভ দেখা দেয়। এদিন সন্ধ্যায় নাবালিকার পরিবারের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ওই বালিকার বাড়ির কয়েকটি বাড়ি পরেই অভিযুক্ত প্রৌঢ় থাকে। সে এলাকায় লোকশিল্পী বলে পরিচিত। মনসা ও পালাগান করে থাকে। এলাকার বাসিন্দারা তার শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন।
পুলিস জানিয়েছে, জামুয়ার গ্রাম পঞ্চায়েতের ওই বালিকা প্রায় মাসখানেক আগে খেলতে গিয়ে পড়ে গিয়েছিল। তার হাতের চিকিৎসা চলছিল। দু’দিন আগেই তার হাতের প্লাস্টার খোলা হয়। মঙ্গলবার সকালে ওই বালিকা তার মাকে বলে বাইরে খেলতে যায়। অভিযোগ, সেসময় প্রতিবেশী সোমনাথ তাকে ঘরের তাক থেকে ব্যাগ পেড়ে দিতে বলে। সেইসঙ্গে তাকে চকোলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে যায়। সেসময় ওই প্রৌঢ়ের ঘরে আর কেউ ছিল না। অভিযোগ, সে নাবালিকাকে ঘরে ডেকে দরজা বন্ধ করে দেয়। এরপর তার অন্তর্বাস খুলে যৌন নির্যাতন করে। এরপর ওই বালিকাকে হুমকি দেয় যে, একথা কাউকে জানালে তাকে কেটে বস্তায় ভরে ক্যানেলের জলে ফেলে দেবে। কিছুক্ষণ পর মেয়েটি ঘরে ফিরলে তার চোখেমুখে আতঙ্ক মায়ের নজর এড়ায়নি। প্রথমে ওই বালিকা ভয়ে মাকে কিছু বলতে চায়নি। তবে বেশ কিছুক্ষণ পরে মাকে পুরো ঘটনা খুলে বলে। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকাবাসীর মধ্যে প্রচণ্ড ক্ষোভ দেখা দেয়। এদিন সন্ধ্যায় নাবালিকার পরিবারের তরফে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। ওই বালিকার বাড়ির কয়েকটি বাড়ি পরেই অভিযুক্ত প্রৌঢ় থাকে। সে এলাকায় লোকশিল্পী বলে পরিচিত। মনসা ও পালাগান করে থাকে। এলাকার বাসিন্দারা তার শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন।



