নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আর জি করে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় শুক্রবার শিয়ালদহ আদালতে সিবিআই ফের ‘স্ট্যাটাস রিপোর্ট’ জমা দিল। এদিনও আদালতে নির্যাতিতার কৌঁসুলিরা দাবি তোলেন, পানিহাটির প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব ঘোষ ও সোমনাথ দে-কে এই মামলায় তদন্তের আওতায় আনা হোক। আইনজীবীদের প্রশ্ন, নির্যাতিতার দেহ তড়িঘড়ি সৎকার করা হয়েছিল কেন? তাঁদের দাবি, ওই তিন ব্যক্তিকে তদন্তের আওতায় এনে সিবিআই খতিয়ে দেখুক বিষয়গুলি। নির্যাতিতার বাবা এদিন আদালতে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সিবিআই এখনো ওই তিন ব্যক্তিকে অনুসন্ধানের বাইরে রাখল কেন—সেটাই আমাদের কাছে আশ্চর্য লাগছে। যদিও আদালতে সিবিআইয়ের বক্তব্য, এই তিনজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ নেই। তাঁদের বক্তব্য, ভালোভাবে তদন্ত না-করে কীসের ভিত্তিতে সিবিআই একথা বলছে! নির্যাতিতার কৌঁসুলিদের ফের দাবি, এই তিনজনকেও জেরা করা হোক। তাহলে অনেক অজানা তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে। এদিন আদালতে নির্যাতিতার বাবা অভিযোগ করেন, আদালতে কী কী বলতে হবে, তা আগে থেকে শিখিয়ে দিয়েছিলেন সিবিআইয়ের কৌঁসুলি। আমাদেরকে ভয়ও দেখানো হয়েছিল। তাই পদক্ষেপ করতে পারিনি। যদিও সিবিআইয়ের বক্তব্য, সে-কথা কেন লিখিতভাবে জানানো হল না? এদিন ভার্চুয়াল শুনানিতে অংশ নেন নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী অর্মত্য দে। তবে এই শুনানি চলাকালে তাঁর কথা শুনতে কিছুটা সমস্যা হচ্ছিল। আইনজীবী দেবস্মিতা দে বলেন, ‘এই মামলার পুলিশ ও সিবিআই তদন্তে আমরা অখুশি। সেই বক্তব্যই কোর্টে তুলে ধরেছি। দেখা যাক, শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়।’ যদিও সিবিআইয়ের কৌঁসুলি পার্থসারথি দত্ত বলেন, স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দিয়ে আমাদের বক্তব্য কোর্টের কাছে পেশ করেছি। এক্ষেত্রে আদালত যা পদক্ষেপ করার করবে।



