Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

প্রত্যাঘাত খোদ ইসলামাবাদে, লাহোর, করাচি, রাওয়ালপিন্ডিতেও ভারতের মিসাইল-ড্রোন, তছনছ পাকিস্তান

প্রত্যাঘাত খোদ ইসলামাবাদে, লাহোর, করাচি, রাওয়ালপিন্ডিতেও ভারতের মিসাইল-ড্রোন, তছনছ পাকিস্তান
  • ৯ মে, ২০২৫ ১৪:০৫
Prefer us on Google

সমৃদ্ধ দত্ত, নয়াদিল্লি: পাকিস্তানজুড়ে প্রত্যাঘাত। রেয়াত করার আর প্রশ্নই নেই। বৃহস্পতিবার রাতে পূর্ণমাত্রায় ঝাঁপিয়ে পড়ল ভারত। পহেলগাঁও হামলার বদলা হিসেবে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে যে অভিযান শুরু হয়েছিল, সন্ত্রাসের লালনপালন করে চলা প্রশাসনও এবার এসে গেল নয়াদিল্লির নিশানায়। এদিন রাতে জম্মু, পাঠানকোট, উধমপুর, জয়সলমিরে আক্রমণের চেষ্টাকে আর সহজ চোখে দেখল না ভারতীয় বাহিনী। শুরু হল কাউন্টার অ্যাটাক। প্রথমে লাহোর, করাচি, শিয়ালকোট। আর তারপর খোদ ইসলামাবাদ। ভারত বুঝিয়ে দিল, এবার হেস্তনেস্ত হবেই।

Advertisement

ভারতের ১৫টি স্পট বাছাই করে মিসাইল ও ড্রোন হামলার চেষ্টা করেছিল পাকিস্তান। বুধবার মাঝরাত থেকে ভারতের উত্তর এবং পশ্চিম প্রান্তের একের পর এক শহরে ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়ে ভারতকে জবাব দিতে গিয়েছিল। কিন্তু পড়েছে চরম বিপর্যয়ের মুখে। কারণ, অধিকৃত কাশ্মীর কিংবা নিয়ন্ত্রণ রেখা নয়, বৃহস্পতিবার ইসলামাবাদের কাঁপুনি বাড়িয়ে ভারতের ড্রোন এবং মিসাইল বৃষ্টির মতো আছড়ে পড়েছে পাকিস্তানের একের পর এক শহরে। কেঁপে উঠেছে করাচি, লাহোর, রাওয়ালপিন্ডি, গুজরানওয়ালা, শিয়ালকোট। ভারতের ড্রোন হানায় লাহোরে পাক আর্মির এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ধ্বংস হয়েছে। একাধিক পাক সেনার হতাহতের খবর এসেছে। আর ভারত জানান দিয়েছে, মারতে এলে প্রত্যাঘাত হবেই। এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম, হ্যারপ ড্রোন এবং হেরন মার্ক টু— এই ত্রিশক্তি ব্যবহার করে পাকিস্তানকে কার্যত ঠুঁটো করে দিয়েছে ভারত। কর্ণের কবচের মতো দাঁড়িয়ে থাকা এস-৪০০ রুখে দিয়েছে তাদের হামলা। আর অন্যদিকে অর্জুনের গাণ্ডীবের তীব্রতায় ছুটে যাওয়া হ্যারপ এবং হেরন মার্ক টু ড্রোন আছড়ে পড়েছে পাকিস্তানের শহরে শহরে। পরিণতি? ভারতের বিভিন্ন বিমানবন্দরের রানওয়েকে টার্গেট করতে যাওয়া পাকিস্তান উল্টে বন্ধ করে দিয়েছে নিজেদের তাবৎ এয়ারপোর্ট। আসলে পাকিস্তান বুঝতেই পারেনি, এনটিআরও থেকে আগাম ইনপুট পেয়ে এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ভারত যে আগেই অ্যাকটিভ করে রেখেছে। কাপুরথালা থেকে অবন্তীপুরা। লুধিয়ানা অথবা জম্মু। কিংবা ভাতিন্দা ও ভুজ। সবটাই প্রতিহত করেছে এস-৪০০। কারণ এই মোবাইল সারফেস টু এয়ার মিসাইল সিস্টেম একসঙ্গে ৩৬টি টার্গেটকে হিট করতে পারে। একটি স্ট্রাইকে চার রকম মিসাইল ধারণে সক্ষম। এবং ৩৬০ ডিগ্রির যে কোনও অংশে। তাই ভারতীয় বাহিনীতে এর কোডনেম কী? সুদর্শন চক্র। রাতেও এই এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমই প্রতিহত করল পাক হামলা। জম্মু থেকে ভুজ— সর্বত্র। তাদের মিসাইল নিষ্ক্রিয় করেই থেমে থাকেনি ভারতীয় বাহিনী। ভারতের ডিফেন্স সিস্টেমের সামনে পরাভূত হয়ে একটি এফ-১৬ এবং দু’টি জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমানও হারিয়েছে পাকিস্তান। এক পাক পাইলটকেও আটক করা হয়েছে বলে খবর। ভারত যে জেএফ-১৭ গুলি করে নামিয়েছে, তা স্বীকার করে নিয়েছে পাক সরকারও। এই যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সতর্ক ভারত। তাই গোটা জম্মু ব্ল্যাকআউট করে দেওয়া হয়। নামতে দেওয়া হয়নি বৈষ্ণোদেবীর পুণ্যার্থীদের। ব্ল্যাকআউট হয়েছে চণ্ডীগড়, মোহালি এবং ভুজেও। ধরমশালায় চলতে থাকা আইপিএলের ম্যাচ বাতিল। দেশের সব বিমানবন্দরে ভিজিটরস এন্ট্রি বন্ধ করা হয়েছে। যাত্রীদের অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে চেক ইন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সতর্কতা জারি হয়েছে নিউক্লিয়ার প্লান্টেও। জানা যাচ্ছে, রাতেও প্রত্যাঘাতের প্রথম টার্গেট লাহোরই। তারপর শিয়ালকোট। রাতের খবর, আরব সাগরে মোতায়েন নৌসেনার আইএনএস বিক্রান্তের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রে গুঁড়িয়ে গিয়েছে করাচি ও ওরমারা বন্দর। ক্ষতিগ্রস্ত লাহোর, রাওয়ালপিন্ডির সামরিক ঘাঁটি। মিসাইল আছড়ে পড়েছে ইসলামাবাদে পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের বাসভবনের সামনেও। বিভিন্ন সংবাদ রিপোর্টের দাবি, নিরাপত্তার কারণে বাঙ্কারে ঠাঁই নিয়েছেন পাক প্রধানমন্ত্রী। যুদ্ধ পরিস্থিতি? নাকি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের সূচনা?

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ