Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

জোড়া ফলায় চড়তে পারে খুচরো মুদ্রাস্ফীতি: অর্থমন্ত্রক, কম বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস ও জ্বালানির দামবৃদ্ধি

সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং স্বাভাবিকের চেয়ে কম বর্ষার পূর্বাভাস। এই জোড়া ফ্যাক্টরের ধাক্কায় ভারতের খুচরো মুদ্রাস্ফীতি বাড়তে পারে।

জোড়া ফলায় চড়তে পারে খুচরো মুদ্রাস্ফীতি: অর্থমন্ত্রক, কম বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস ও জ্বালানির দামবৃদ্ধি
  • ৩১ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নয়াদিল্লি: সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং স্বাভাবিকের চেয়ে কম বর্ষার পূর্বাভাস। এই জোড়া ফ্যাক্টরের ধাক্কায় ভারতের খুচরো মুদ্রাস্ফীতি বাড়তে পারে। শনিবার প্রকাশিত মাসিক আর্থিক রিপোর্টে এমনটাই আশঙ্কা অর্থমন্ত্রকের। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে মেনে নেওয়া হয়েছে, পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন অব্যাহতই রয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আগামী মাসগুলিতে পরিবহন, জ্বালানি ও খাদ্য-সম্পর্কিত ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাবে ক্রমেই খুচরা মুদ্রাস্ফীতিও ঊর্ধ্বমুখী হবে। জ্বালানির সাম্প্রতিক মূল্যবৃদ্ধি এমনই ইঙ্গিত দিচ্ছে। 

Advertisement

বৃষ্টিপাতের উল্লেখযোগ্য ঘাটতি এবং বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির জেরে খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি হতে পারে। আর তা গ্রামীণ চাহিদা ও সামগ্রিক বৃদ্ধির হার নিম্নমুখী করে তুলতে পারে। ভারতীয় অর্থনীতির স্বল্পমেয়াদি ভবিষ্যৎ চিত্র স্থিতিশীল হলেও সতর্ক থাকার অবকাশ রয়েছে। তবে একইসঙ্গে এই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, দেশীয় অর্থনীতির মৌলিক ভিত্তিগুলি মোটের উপর অটুটই রয়েছে। উৎপাদন ও পরিষেবা ক্ষেত্রের সূচকগুলি বৃদ্ধির প্রবণতাই দেখাচ্ছে। শ্রমবাজার স্থিতিশীল। বৈদেশিক ধাক্কাকে সামাল দেওয়ার রক্ষাকবচ জোগাচ্ছে বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার।
অর্থমন্ত্রকের পাশাপাশি সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে ‘সিস্টেমেটিক রিসার্চ’-এর রিপোর্টেও। সেখানে বলা হয়েছে, সম্প্রতি জ্বালানির দামবৃদ্ধির পর উপভোক্তাদের এখন দৈনন্দিন ব্যবহার্য বিভিন্ন পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির জন্য প্রস্তুত থাকতে হতে পারে। কারণ, সংস্থাগুলি ক্রমবর্ধমান কাঁচামালের খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে। খাদ্য, পানীয়, গৃহস্থালি ও ব্যক্তিগত প্রসাধনী পণ্য উৎপাদনকারী সংস্থাগুলি ক্রমাগত মূদ্রাস্ফীতির চাপের সম্মুখীন। এর ফলে আগামী মাসগুলিতে আরও মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, কাঁচামালের মোট খরচ গড়ে প্রায় ১০ শতাংশ বেড়ে যাওয়ায় সংস্থাগুলি বিগত দু’মাসে পণ্যের দাম প্রায় ৩ থেকে ৭ শতাংশ বাড়িয়েছে। ক্রমবর্ধমান উৎপাদন খরচের কারণে মুনাফা অটুট রাখতে গিয়ে সংস্থাগুলি মূল্যবৃদ্ধি এবং প্যাকেটের ওজন কমানোর পথে হাঁটতে পারে। এর অর্থ ক্রেতাদের পণ্যের জন্য বেশি দাম দিতে হবে। এবং পরিমাণে কম পণ্য হাতে পাবেন। 

সম্পর্কিত সংবাদ