নিজস্ব প্রতিনিধি, চন্দ্রকোণা রোড: আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান শিবিরে এসে রাস্তা, পানীয় জল, আলো সহ বিভিন্ন সমস্যার কথা জানালেন এলাকার বাসিন্দারা। বুধবার চন্দ্রকোণা রোড ব্লকের কড়সা পঞ্চায়েতের কাচডহরী এমএসকে-তে এই শিবিরে প্রায় প্রায় দেড় বাসিন্দা এসে তাঁদের সমস্যার কথা জানান। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নির্মল ঘোষ, কড়সা পঞ্চায়েতের প্রধান তাপস দাস, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি মইদুল খান, ব্লকের নেতা করিরুল খান, রাজেন মোল্লা সহ জনপ্রতিনিধিরা। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানান, এই পঞ্চায়েত পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা প্রায় সম্পূর্ণ খরচ করেছে। একাধিক প্রকল্পের রূপায়ণ হয়েছে। এদিন গ্রামবাসীদের সমস্যাগুলি নথিভুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগগুলি পর্যালোচনা করে সমাধান করা হবে।
এদিন শিবিরে আসা এলাকার বাসিন্দা সন্তোষ মণ্ডল বলেন, এই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ভালোই কাজ হয়েছে। কিন্তু বহু ছোট রাস্তার অবস্থা খারাপ। বর্ষায় খুবই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিদের সমস্যার কথা বলেছি। আশা করছি রাস্তার সমস্যার সমাধান হবে। শাসকদলের অঞ্চল সভাপতি মইদুল খান বলেন, মানুষকে পরিষেবা দেওয়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। সকলের সহযোগিতা করছেন। বহু মানুষ নিজেদের পাড়ার সমস্যার কথা জানিয়েছেন। তাঁদের সমস্যার সমাধান করা হবে।
প্রসঙ্গত, চন্দ্রকোণা রোড ব্লকের কড়সা পঞ্চায়েত এলাকা তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই এলাকা থেকে বিপুল ভোটে জয় পায় ঘাসফুল শিবির। পঞ্চায়েতের ২৩টি আসনের মধ্যে সবকটিই দখল করে তৃণমূল। পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধিরা জানান, গত অর্থবছর থেকে বছরে গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় ৪৯লক্ষ টাকা খরচ করে রাস্তা, পানীয় জল সহ একাধিক প্রকল্পের কাজ হয়েছে। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচ করার নিরিখে এই গ্রাম পঞ্চায়েত বিশেষ পুরস্কার পেয়েছে।
জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নির্মল ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছেন একজন মানুষও যেন বঞ্চিত না হয়। তাই এই কর্মসূচিতে প্রতিটি মানুষের কথা গুরুত্ব দিয়ে শোনা হচ্ছে। আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রী এই কর্মসূচি শুরু করার সাহস পাননি। তাই মুখ্যমন্ত্রীকে কুর্নিশ জানাই। ব্লক তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার বলেন, এই কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকার বহু সমস্যার সমাধান হবে। -নিজস্ব চিত্র