Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ব্রাহ্মণী নদীর জলস্তর বৃদ্ধি, আতঙ্কে খড়গ্রামের ছ’টি গ্রামের বাসিন্দারা

ব্রাহ্মণী নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্কের প্রহর গুনছেন খড়গ্রাম ব্লকের ঝিল্লি পঞ্চায়েতের ছ’টি গ্রামের বাসিন্দারা। এলাকার বাঁধ দুর্বল থাকায় তা ভেঙে গ্রামে জল ঢোকার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ব্রাহ্মণী নদীর জলস্তর বৃদ্ধি, আতঙ্কে খড়গ্রামের ছ’টি গ্রামের বাসিন্দারা
  • ২৭ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: ব্রাহ্মণী নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় আতঙ্কের প্রহর গুনছেন খড়গ্রাম ব্লকের ঝিল্লি পঞ্চায়েতের ছ’টি গ্রামের বাসিন্দারা। এলাকার বাঁধ দুর্বল থাকায় তা ভেঙে গ্রামে জল ঢোকার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যদিও স্থানীয় পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

কান্দি মহকুমা সেচদপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় বৈধড়া ব্যারাজ থেকে ৪৩২ কিউসেক হারে জল ছাড়া হয়েছে। তাতে ব্রাহ্মণী নদীর জলস্তর অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও সেচদপ্তরের এক অফিসার বলেন, এই সামান্য জলে বাসিন্দাদের আতঙ্কিত হওয়ার কথা নয়। তাছাড়া ওই এলাকায় বাঁধ শক্তপোক্ত রয়েছে।
এই এলাকার এক বাসিন্দারা বলেন, ওই নদীর মেলার মাঠের কাছে বাঁধের অবস্থা খুবই দুর্বল। গতবছর বন্যায় ওই দুর্বল বাঁধ উপচে এলাকায় জল ঢুকে প্রায় ছ’টি মৌজার ফসল নষ্ট করেছিল। এমনকী, নিচু এলাকার বাড়িগুলিতেও জল ঢুকেছিল। বাঁধের ওই দুর্বল অংশ মেরামত না করার জন্যই তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন। বাসিন্দারা জানান, দুর্বল বাঁধ সংস্কার না হওয়ায় এলাকার কেলাই, শনিগ্রাম, দীঘা, হাজীপুর, সিয়াটা ও কামারপুরের বাসিন্দাদের আতঙ্কিত থাকতে হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা তথা ঝিল্লি পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান বুলটি বিবি বলেন, ২০১৩ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত আমি প্রধান থাকাকালীন ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পে ওই বাঁধের সংস্কার করেছিলাম। এরপর ২০২৩ সাল থেকে বাঁধের ওই দুর্বল অংশ দিয়ে প্রতিবছর জল ঢুকে জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে। তাই এবছরও যথেষ্ঠ চিন্তার বিষয় রয়েছে।
কেলাই গ্রামের হাসান আলি বলেন, গত বছর ওই দুর্বল বাঁধের উপর দিয়ে জল উপচে ছ’টি মৌজার তুঁতগাছ ও আমন ধান নষ্ট করেছিল। হাজার হেক্টরের বেশি জমির ফসল নষ্ট হয়েছিল। এবারও আমনের বীজতলা করেছেন চাষিরা। কিন্তু চিন্তা পিছু ছাড়ছে না। স্থানীয় বাসিন্দা মিনারুল ইসলাম, হায়দার আলিরা দ্রুত বাঁধের ওই দুর্বল অংশ মেরামতির দাবি করেছেন। 
যদিও স্থানীয় ঝিল্লি পঞ্চায়েত প্রধান শরিফা বিবি বলেন, পঞ্চায়েত থেকে বাসিন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে। বন্যা মোকাবিলায় পঞ্চায়েত সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। এবিষয়ে কান্দি মহকুমা সেচদপ্তরের ওই অফিসার বলেন, দ্রুত বাঁধের ওই দুর্বল অংশ পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ