Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রথযাত্রায় মেতে হলদিয়া টাউনশিপের বাসিন্দারা

বন্দর শহরে টাউনশিপের রথযাত্রা ঘিরে বাসিন্দাদের উন্মাদনা তুঙ্গে উঠেছে। হলদিয়া টাউনশিপ রথযাত্রা কমিটির উদ্যোগে তিন দশকের বেশি সময় ধরে শিল্পশহরের প্রাণকেন্দ্রে এই রথ টানা হচ্ছে।

রথযাত্রায় মেতে হলদিয়া টাউনশিপের বাসিন্দারা
  • ২৭ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, হলদিয়া: বন্দর শহরে টাউনশিপের রথযাত্রা ঘিরে বাসিন্দাদের উন্মাদনা তুঙ্গে উঠেছে। হলদিয়া টাউনশিপ রথযাত্রা কমিটির উদ্যোগে তিন দশকের বেশি সময় ধরে শিল্পশহরের প্রাণকেন্দ্রে এই রথ টানা হচ্ছে। টাউনশিপের রথযাত্রা এবার ৩৫ বছরে পড়েছে। শহরের বাসিন্দারা এখানে যেন এক চিলতে গ্রামীণ মেলার ছোঁয়া পান। এখানে ১০ দিন ধরে রথের মেলা চলে। তবে টাউনশিপের রথের বড় আকর্ষণ হল, প্রতিদিন জগন্নাথদেবের পোলাও ভোগ বিতরণ এবং পুরনো দিনের গানের অনুষ্ঠান।রথযাত্রা কমিটির সভাপতি তথা পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান দেবপ্রসাদ মণ্ডল ও সম্পাদক কিশোরচন্দ্র বারিক বলেন, শহরের বাসিন্দাদের আনন্দের জন্য বাজারের ব্যবসায়ী, স্থানীয় শুভানুধ্যায়ীদের উদ্যোগে রথ শুরু হয়েছিল। একসময় রথের আকৃতি ছোট ছিল। পরে প্রায় ২৫ ফুট উঁচু কাঠের সুন্দর রথ তৈরি হয়েছে। কর্মসূত্রে টাউনশিপে সারা ভারতবর্ষের মানুষ থাকেন। তাঁরা বন্দর, আইওসি সহ বিভিন্ন শিল্প সংস্থায় কাজ করেন। তাঁদের পরিবারের লোকজনের উৎসাহেই শহরের প্রাণকেন্দ্রে এই রথ চালু হয়েছিল। রথ শুরুর আগে থেকেই টাউনশিপে মেলা বসে যায়। দূর-দূরান্ত থেকে নানা পসরা সাজিয়ে মেলায় আসেন ব্যবসায়ীরা। অন্যান্য গ্রামীণ মেলার মতো এই রথের মেলায় মনোহারি জিনিসপত্র দেদার বিক্রি হয়।

Advertisement

কমিটির সহ সভাপতি স্বপনকুমার সী বলেন, টাউনশিপের রথযাত্রায় গুণ্ডিচাবাটিতে রোজ জগন্নাথদেবকে পোলাও ও খিচুড়ি ভোগ দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে আটদিন ধরে নানা ধরনের পায়েস ও পিঠে ভোগ দেওয়া হয়। ওই ক’দিন ভক্তরা দুপুরে পোলাও ভোগ পেতে পারেন। কুপন কেটে রাখলে ভক্তরা প্রতিদিন পোলাও সহ জগন্নাথদেবের প্রসাদ পেতে পারেন। প্রতিদিন কয়েকশো ভক্তের মধ্যে প্রসাদ বিলি করা হয়। এছাড়া, মেলায় প্রতিদিন সন্ধ্যায় গোবিন্দভোগ চালের খিচুড়ি প্রসাদ বিতরণ করা হবে। প্রতিদিনই রয়েছে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। রাতে লোকগীতি ও স্বর্ণযুগের গানের আসর রয়েছে। -নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ