Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মশার উপদ্রবে নাজেহাল কোচবিহারবাসী

গরম পড়তেই মশার দাপটে নাভিশ্বাস শহরবাসীর। চৈত্রের দাবদাহে গরমের মধ্যেই মশার প্রকোপ বাড়ায় ওষ্ঠাগতপ্রাণ রাজার শহর কোচবিহারের বাসিন্দাদের।

মশার উপদ্রবে নাজেহাল কোচবিহারবাসী
  • ১৫ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: গরম পড়তেই মশার দাপটে নাভিশ্বাস শহরবাসীর। চৈত্রের দাবদাহে গরমের মধ্যেই মশার প্রকোপ বাড়ায় ওষ্ঠাগতপ্রাণ রাজার শহর কোচবিহারের বাসিন্দাদের। সন্ধ্যার পর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ঘিরে ধরছে মশা। মশার উপদ্রবে জেরবার শহরের বিস্তীর্ণ এলাকার বাসিন্দারা। কোথাও নালার জমা জল, আবার কোথাও নিকাশি নালা সংস্কারের জন্য আটকে রাখা জমা জলে তৈরি হয়েছে মশার আঁতুড়ঘর। শহরের বিভিন্ন জায়গায় ঝোপ-জঙ্গল পরিষ্কার না হওয়ার জন্যও গরমে মশার উপদ্রব বেড়েছে বলে অভিযোগ পুরবাসীর। 

Advertisement

বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, সর্বত্র ঝোপ-জঙ্গল সাফ করা হয় না। উপরন্তু মশা তাড়াতে যে ওষুধ স্প্রে করা হয় তাতেও কাজ হচ্ছে না। আবার মশা মারার তেল সর্বত্র স্প্রে না করার অভিযোগ অনেক বাসিন্দার। যদিও পুরসভার দাবি, তারা বছরভর মশা তাড়াতে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে থাকে। গরমে মশার প্রকোপ বৃদ্ধির সমস্যা কার্যত স্বীকার করে পুরকর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সারা বছর ওয়ার্ডের নিকাশি নালা দফায় দফায় পরিষ্কার করার পাশাপাশি ব্লিচিং ছড়ানো হয়। সেইসঙ্গে বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতনতা প্রচার চালানো হয়। রুটিন মেনে মশা মারার তেলও স্প্রে করা হয়। 
শহরের বাসিন্দা অনুপ দাস বলেন, চৈত্রের প্রচণ্ড গরমে সন্ধ্যা হতেই যেখানেই বসছি, ছেঁকে ধরছে মশা। নাকে-মুখে ঢুকে যাচ্ছে। সন্ধ্যা হতেই এত মশার দাপট বেড়ে যায় যে ছেলেমেয়েদের মশারি টাঙিয়ে পড়তে বসতে হচ্ছে। মশার জ্বালায় মনে হচ্ছে রাতের খাবারও এখন মশারির ভিতরে বসে খেতে হবে। প্রিয়াঙ্কা দে, সুস্মিতা সরকার বলেন, গরম পড়তেই মশার রাজত্ব যেন ফিরে এসেছে। সন্ধ্যায় সাগরদিঘির পাড়ে একটু বসলেই ঝাঁকে ঝাঁকে মশা ঘিরে ধরে। 
কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, গরমের সময় মশার প্রকোপ সব জায়গাতেই কিছুটা বাড়ে। শহরেও বেড়েছে এটা ঠিক। তবে  আগের তুলনায় এখন অনেক কম। নিকাশি নালাগুলি নিয়মিত পরিষ্কার করার কাজ চলে আমাদের। চেয়ারম্যান আরও বলেন, শহরে মশা মারতে স্প্রে করা হলেও সংলগ্ন পঞ্চায়েত এলাকায় পুরসভার মতো স্প্রে করা হয় না। মশা তো আর কোনও বাউন্ডারি মানে না, ফলে সেখান থেকেও মশা শহরে ঢুকছে।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ