Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রাধানগর ঘাটে স্থায়ী বাসস্ট্যান্ডের দাবি বাসিন্দাদের

রাধানগর সেতু চালু হওয়ার পর নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলার যোগাযোগ সহজ হয়েছে। বহরমপুর ও কৃষ্ণনগর থেকে প্রায় ৭০টি বাস রাধানগর ঘাটে যাতায়াত করে।

রাধানগর ঘাটে স্থায়ী বাসস্ট্যান্ডের দাবি বাসিন্দাদের
  • ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সৌরভ ভট্টাচার্য,তেহট্ট: রাধানগর সেতু চালু হওয়ার পর নদীয়া ও মুর্শিদাবাদ জেলার যোগাযোগ সহজ হয়েছে। বহরমপুর ও কৃষ্ণনগর থেকে প্রায় ৭০টি বাস রাধানগর ঘাটে যাতায়াত করে। অথচ সেখানে কোনও স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড নেই। অস্থায়ী ভাবে ব্যক্তিগত জায়গায় বাস গুলি দাঁড়িয়ে থাকে। সেজন্য বাস প্রতি ২০ টাকা করে দিতে হয় বলে বাসকর্মীরা জানান। তাই বাসকর্মীদের সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীরাও স্থায়ী বাসস্ট্যান্ডের দাবি তুলেছেন।

Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কৃষ্ণনগর-পাটিকাবাড়ি ঘাট ও বহরমপুর– রাধানগর ঘাট  এই দুই রাজ্য সড়কে প্রায় ৭০টি বাস চলে। জলঙ্গি নদীর একদিকে নদীয়া জেলার রাধানগর ও অন্যদিকে মুর্শিদাবাদ জেলার পাটিকাবাড়ি। সেতু হয়ে যাওয়ার পর মুর্শিদাবাদ জেলার বাসগুলি সব রাধানগরে এসে দাঁড়ায়। স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড না থাকায় এরমধ্যে ১০-১২টি বাস রাতে ওখানে একটি ব্যক্তিগত জায়গায় থাকে। সেজন্য ভাড়া দিতে হয়।

এক বাসকর্মী বাপি বিশ্বাস বলেন, সেতু হয়ে যাওয়ার পর দুই জেলার বাস এখানে দাঁড়িয়ে থাকে। স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড হলে বাসগুলি আর ব্যক্তিগত জায়গায় দাঁড়াত না। সেতুর পাশেই একটা সরকারি জায়গা আছে। সেখানে যদি স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড হয় তাহলে খুবই ভালো হয়। তাতে যাত্রীদেরও সুবিধা হবে। আমরা প্রশাসনের কাছে ওই জায়গায় স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড করার আবেদন জানাচ্ছি। ওই এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড হলে এলাকার উন্নতি হবে। কিছু মানুষের কর্মসংস্থানও হবে। এখন রাজনৈতিক নেতারা যদি উদ্যোগ নেন তাহলে স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড হতে পারে। বহরমপুর যাচ্ছিলেন অঞ্জলি চক্রবর্তী নামে এক বৃদ্ধা। তিনি বলেন, স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড না হওয়ায় এখানে কোনও যাত্রী বিশ্রামাগার নেই। ফলে আমাদের কোনও দোকানে বসে থাকতে হয়। স্থায়ী বাসস্ট্যান্ড হলে আমাদের বসার একটা জায়গা থাকত।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ