Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ট্যুর মরশুমে পর্যটকদের পাহাড় ভ্রমণে মুশকিল-আসান রেন্টাল বাইক পরিষেবা

ট্যুর মরশুমে পর্যটকদের পাহাড় ভ্রমণে  মুশকিল-আসান রেন্টাল বাইক পরিষেবা
  • ১৭ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

তারক চক্রবর্তী, শিলিগুড়ি: নিজের বাইক নেই বা লং-রাইডে যাওয়ার মতো দু’চাকার গাড়ি নেই। তাহলে কি ট্যুরের প্ল্যানই বাতিল করে দিতে হবে! উত্তর-না। সেই সমস্যার সমাধান নিয়ে এসেছে রেন্টাল বাইক। এককথায় বাইক ভাড়া নিয়ে নিজের মতো ঘুরে আসা যাবে। বিনিময়ে দিতে হবে নির্দিষ্ট ভাড়া। রেন্টাল বাইক সার্ভিস পোশাকি নাম হলেও অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় পর্যটকদের  কাছে এই সার্ভিস বেশ জনপ্রিয়। উত্তর তো বটেই, দক্ষিণবঙ্গ থেকে অনেক পর্যটক পাহাড়ে ঘুরতে আসেন। বাইকে চেপে নিজের মতো করে পাহাড় ঘুরে দেখতে চান তাঁরা। এই বিষয়টিকে কাজে লাগিয়ে ইতিমধ্যেই শিলিগুড়ির আনাচে-কানাচে একের পর এক বাইক রেন্টাল পরিষেবার ট্রেন্ড শুরু হয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে এই পরিষেবা দিয়ে আয়ের মুখ দেখছেন অনেক যুবক। তবে তাল কাটছে এই পরিষেবা দেওয়ার জন্য বাইকের রেজিস্ট্রেশন এবং কমার্শিয়াল নম্বর নিতে গিয়ে বাধছে কাগজপত্রের সমস্যা। যার ফলে সমস্যা হচ্ছে ব্যবসায়ীদের একাংশের। তাঁদের দাবি,বাইক ভাড়া খাটাতে যে  কমার্শিয়াল লাইসেন্স দরকার তা পেতে কলকাতায় যেতে হচ্ছে। পাশাপাশি বাইকের রেজিস্ট্রেশন এবং কমার্শিয়াল নম্বর করতে হলে দার্জিলিং যেতে বলা হচ্ছে। তা ছাড়াও রেন্টাল সার্ভিস পরিষেবা দিতে গেলে নিজস্ব অফিস থাকতে হবে। যারজন্য অন্ততপক্ষে ৬০০ বর্গফুট জায়গা, চেঞ্জিংরুম, টয়লেট রাখতে হবে। এছাড়াও প্রতিটি গাড়ির ছবি এবং ডকুমেন্টস সঠিকভাবে রেখে ভিডিও করে তারসঙ্গে একাধিক সরকারি কাগজপত্র দিয়ে পরিবহণ দপ্তরে জমা করতে হবে। এক একটি গাড়ির বাইকের কমার্শিয়াল নম্বর করার জন্য বারবার দার্জিলিংয়ে ছুটতে হবে। এসব করতে ইচ্ছুক হলেও শেষ পর্যন্ত পরিবহণ দপ্তরের তরফ থেকে কমার্শিয়াল নম্বর করে দিতে ঢের দেরি হচ্ছে বলে দাবি করছেন রেন্টাল বাইক ব্যবসায়ীদের একাংশ। যার ফলে ইতিমধ্যে লোকসান হচ্ছে তাঁদের। 

Advertisement

যদিও পরিবহণ দপ্তরের দাবি, সমস্ত প্রক্রিয়া সরলীকরণ করে দ্রুত সম্পন্ন করার কাজ করা হচ্ছে। এই ধরনের অ্যাডভেঞ্চার পর্যটনকে বাড়াতে ইচ্ছুক পরিবহণ দপ্তর। দার্জিলিং জেলা পরিবহণ দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত আঞ্চলিক পরিবহণ আধিকারিক মিল্টন দাস বলেন, আমরা সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য রাজ্য পরিবহণ দপ্তরের নিয়ম মেনে কাজ করছি। আমরাও চাই প্রত্যেকটি এই ধরনের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীরা সঠিকভাবে নথিপত্র হাতে পেয়ে কাজ করুক। 
ব্যবসায়ীদের একাংশের দাবি, এক একটি বাইকে কমার্শিয়াল নম্বরে পরিবর্তন করতে যথেষ্ট ব্যয় হবে। সেই খরচ করতেও তাঁরা রাজি। তবে পরিবহণ দপ্তরকে আরও সক্রিয়ভাবে এই কাজে সাহায্য করা উচিত। শিলিগুড়ির এনটিএস মোড়ের বাইক রেন্টাল পরিষেবা প্রদানকারী ব্যবসায়ী গোপাল রায় বলেন, আমরাও চাইছি দ্রুত পরিবহণ দপ্তর আমাদের সমস্ত ধরনের সাহায্য করে তাড়াতাড়ি লাইসেন্স, কমার্শিয়াল নম্বর প্রদান করুক। যাতে আমরা মানুষকে আরও ভালোভাবে পরিষেবা দিতে পারি।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ