Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পাঁচ মাস পরও শেষ হল না সম্প্রীতি উড়ালপুলের সংস্কার, মহেশতলায় ক্ষোভ

পাঁচ মাস পরও শেষ হল না মহেশতলার সম্প্রীতি উড়ালপুলের সংস্কারের কাজ। যা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও গাড়ি চালকদের অসন্তোষ বাড়ছে।

পাঁচ মাস পরও শেষ হল না সম্প্রীতি উড়ালপুলের সংস্কার, মহেশতলায় ক্ষোভ
  • ৭ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বজবজ: পাঁচ মাস পরও শেষ হল না মহেশতলার সম্প্রীতি উড়ালপুলের সংস্কারের কাজ। যা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও গাড়ি চালকদের অসন্তোষ বাড়ছে। 

Advertisement

মার্চে শুরু হয়েছিল সংস্কার কাজ। তিনমাসে তা শেষ করার কথা ঘোষণা করেছিল কেএমডিএ। কিন্তু দেড়মাস বাদে তারা জানায়, অতিরিক্ত একমাস সময় লাগবে। কিন্তু সেই সময়সীমা আগেই পেরিয়ে গিয়েছে। তারপর আরও একমাস চলে গিয়েছে। আগস্ট মাস পড়লেও উড়ালপুল সংস্কারের কাজ অনেকটাই বাকি। ফলে উড়ালপুল দিয়ে যান চলাচল এখনও নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। মোটরবাইক পুরোপুরি বন্ধ। বন্ধ লরি চলাচল। চার চাকার হাল্কা গাড়ি চললেও তা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত। সকাল ৬টা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত। রাত দশটার পর থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত গাড়ি একেবারেই বন্ধ।
স্বাভাবিকভাবেই পাঁচ মাস ধরে উড়ালপুল সংস্কারের কাজ চলায় অসন্তুষ্ট এলাকার মানুষ। কারণ উড়ালপুলের উপর দিয়ে যাওয়া বহু গাড়ি এখন নীচের বজবজ ট্রাঙ্ক রোড দিয়ে যাচ্ছে। সেই রাস্তায় প্রায়ই যানজট হচ্ছে। তা সামাল দিতে গিয়ে ট্রাফিক পুলিসের কার্যত নাজেহাল অবস্থা। ভোগান্তিতে পড়ছেন বজবজ ট্রাঙ্ক রোডের উপর দিয়ে যাতায়াতকারী স্থানীয় বাসিন্দারা। গাড়ির ভিতর আটকে থাকতে হচ্ছে দীর্ঘক্ষণ। সব মিলিয়ে সম্প্রীতি উড়ালপুল সংস্কারের কাজ শ্লথ গতিতে চলায় গোটা মহেশতলা, বজবজ থেকে পুজালি পর্যন্ত তার প্রভাব পড়েছে।
ডায়মন্ডহারবার পুলিস জেলার এক সিনিয়র আধিকারিক বলেন, এতদিন ধরে একটা গুরুত্বপূর্ণ উড়ালপুলের স্বাভাবিক চলাচল ছন্দ থমকে থাকলে খুব অসুবিধা হয়। বিশেষ করে ট্রাফিক ব্যবস্থা সামাল দিতে গিয়ে প্রতিদিন সমস্যা হচ্ছে। কারণ ট্রাফিক পরিকাঠামো দুর্বল। লোকবলের অভাব। এটা বোঝা দরকার। মহেশতলা পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল তাপস হালদার বলেন, লাগাতার বৃষ্টির কারণে কাজ ব্যাহত হচ্ছে। সেই জন্য কাজ শুরু করলেও থমকে যাচ্ছে। কেএমডিএ’র এক আধিকারিক বলেন, প্রায় সাত কিলোমিটারের কাছাকাছি ওই রাস্তায় আগের পিচের আস্তরণ কেটে তোলা হয়েছে। নতুন করে বিটুমিনাসের কাজ চলছিল। বাটার দিক থেকে এ পর্যন্ত এক তৃতীয়াংশ কাজ শেষ। কিন্তু সমস্যা হল বৃষ্টি। জুন থেকে বর্ষা নেমেছে। সেই কারণে কাজ শেষ করতে দেরি হচ্ছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ