Bartaman Logo
৩ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৫০ বছর কাঁচা রাস্তাই ভরসা, ভূতবাগান খালপাড়ে অবশেষে ঢালাইয়ের কাজ শুরু

পাঁচ দশক ধরে একই অভিযোগ— বর্ষা এলেই কাদা, জল আর ভাঙাচোরা রাস্তা পেরিয়ে রোজকার যাতায়াত। বহু আবেদনের পরেও পরিস্থিতির বদল না হওয়ায় হতাশাই ছিল নিত্যসঙ্গী।

৫০ বছর কাঁচা রাস্তাই ভরসা, ভূতবাগান খালপাড়ে অবশেষে ঢালাইয়ের কাজ শুরু
  • ৩ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: পাঁচ দশক ধরে একই অভিযোগ— বর্ষা এলেই কাদা, জল আর ভাঙাচোরা রাস্তা পেরিয়ে রোজকার যাতায়াত। বহু আবেদনের পরেও পরিস্থিতির বদল না হওয়ায় হতাশাই ছিল নিত্যসঙ্গী। অবশেষে সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে হাওড়া পুরসভার ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের কোনা ভূতবাগান খালপাড় এলাকায়। শিবপুরের বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষের উদ্যোগে শুরু হয়েছে বহু প্রতীক্ষিত কংক্রিটের রাস্তা নির্মাণের কাজ। রবিবার এলাকায় গিয়ে নির্মাণকাজ খতিয়ে দেখেন বিধায়ক।

Advertisement

স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ৫০ বছর ধরে এই এলাকায় কোনো পাকা রাস্তা ছিল না। ভাঙাচোরা, কাঁচা রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করতে গিয়ে দুর্ঘটনার পড়তে হত বাসিন্দাদের। প্রতি বছরের মতো এবারও বর্ষার সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছিল। রাস্তায় জল জমায় কার্যত চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে গোটা এলাকা। অভিযোগ, বিগত সরকারের প্রশাসনের কাছে বারবার রাস্তা নির্মাণের আবেদন জানানো হলেও কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি। পালাবদলের পর এলাকার সমস্যার কথা সামনে আসতেই নতুন রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ইতিমধ্যেই প্রায় ১৮০০ ফুট দীর্ঘ এবং ৮ ফুট চওড়া কংক্রিটের রাস্তা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, মানুষের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়েই উন্নয়নের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এই রাস্তা তৈরি হলে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি পাবেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পাশাপাশি ওই এলাকায় পানীয় জল সরবরাহ এবং নিকাশি ব্যবস্থার আরও উন্নতির লক্ষ্যে হাওড়া পুরসভার ইঞ্জিনিয়ার ও আধিকারিকরা পরিকল্পনা করে কাজ করছেন বলেও জানান তিনি। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, দীর্ঘ অর্ধশতাব্দী পর এই এলাকায় ঢালাই রাস্তা তৈরি হচ্ছে। নতুন রাস্তার কাজ শুরু হওয়ায় স্বস্তির মুখ দেখছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দা আরতি মণ্ডল ও শতাব্দী মণ্ডলের কথায়, বহু বছর ধরে শুধু আশ্বাসই মিলেছে। এই প্রথম কাজ হতে দেখছি। এবার মনে হচ্ছে, ঠিক জায়গাতেই ভোট দিয়েছি।  নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ