সংবাদদাতা, বারুইপুর: বারুইপুর ও রাজপুর-সোনারপুর পুরসভায় ফের বিভিন্নরকম সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধারের জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়াল।
সংবাদদাতা, বারুইপুর: বারুইপুর ও রাজপুর-সোনারপুর পুরসভায় ফের বিভিন্নরকম সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধারের জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়াল।
বারুইপুর পুরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ জয়ন্ত ভদ্রের দলীয় কার্যালয় ও ফ্ল্যাট থেকে একের পর এক বস্তায় উদ্ধার হয় সরকারি ত্রাণ সামগ্রী। বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভার বিজেপি নেতা বিশ্বজিৎ পাল সহ বিজেপি কর্মীরা বারুইপুর থানার পুলিশ নিয়ে তল্লাশি চালান ফ্ল্যাটে ও দলীয় কার্যালয়ে। হুইল চেয়ার থেকে শুরু করে স্ট্রেচার, ত্রিপল, কম্বল সহ নানা আসবাবপত্র, জমির কাগজ, পঞ্চায়েতের কাগজপত্র, মাছের খাবার বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। দলীয় কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে সিল করে দেয় পুলিশ। পরে বিজেপির নেতা বিশ্বজিৎ পাল বলেন, ‘কয়েক বছর আগের সরকারি ত্রাণ সামগ্রী ফ্ল্যাটে ও দলীয় কার্যালয়ে মজুত করে রেখেছিলেন জেলা পরিষদের মৎস্য কর্মাধ্যক্ষ জয়ন্ত ভদ্র। গরিব মানুষকে দিনের পর দিন বঞ্চিত করে রাখা হয়েছিল। আমরা বারুইপুর পুলিশ জেলা সুপার, বিডিও, মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। অবিলম্বে এই নেতাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করুক এটাই আরজি জানিয়েছি। তা না হলে আন্দোলনে নামা হবে।’
প্রসঙ্গত, এর আগেও ২ নম্বর ওয়ার্ড থেকে সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধার হয়েছিল। পাশাপাশি, রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার হরহরিতলায় ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার চন্দ্রা ঘোষালের দলীয় কার্যালয় থেকে চাল, ত্রিপল, কম্বল সহ নানা সরকারি ত্রাণ সামগ্রী উদ্ধার হয়। প্রচুর স্ট্রিট লাইট বাজেয়াপ্ত হয়। এর জেরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সোনারপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বিজেপি কর্মীরা এলাকায় গিয়ে বিক্ষোভ দেখান। তাঁরা বলেন, অনৈতিক কাজ করে চলেছেন কাউন্সিলার। গরিব মানুষের জিনিস বণ্টন করা হয়নি। বাড়ি থেকে ময়লা ফেলার বালতির জন্য ২০০ টাকা নিতেন কাউন্সিলার। ওই কাউন্সিলারের শাস্তি চাই। পরে রাজপুর-সোনারপুর পুরসভা থেকে গাড়ি এসে ত্রাণ সামগ্রী নিয়ে যায়। নিজস্ব চিত্র