নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইস্ট বেঙ্গল বনাম ইউনাইটেড ম্যাচ তখন শেষ লগ্নে। গ্যালারিতে এলেন আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। মুহূর্তে বদলে গেল আবহ। স্প্যানিশ কোচকে ঘিরে সেলফির আবদার শুরু সমর্থকদের। বোঝাই যাচ্ছে, অল্প কয়েকদিনেই অনুরাগীদের মন জিতে নিয়েছেন অভিজ্ঞ হাবাস। তাঁর মগজাস্ত্রে ভর করেই এসিএল টু’য়ের গ্রুপ পর্বের বাধা টপকাতে মরিয়া লাল-হলুদ ব্রিগেড। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর জর্ডনের আল হুসেইনির বিরুদ্ধে নামবেন গিল-আনোয়াররা। রবিবার কাকভোরে জর্ডন রওনা হচ্ছে দল। দোহা হয়ে ভেনুতে পৌঁছোবে ইস্ট বেঙ্গল। অন্যতম কঠিন ম্যাচের আগে হাবাসের মন্তব্য, ‘ড্রয়ের ভাবনা নেই। জেতার মানসিকতা নিয়েই মাঠে নামব।’
ডুরান্ড কাপ ফাইনালে হ্যাটট্রিক করেছিলেন এডমুন্ড লালরিনডিকা। একটু পিছন থেকে অপারেট করেছিলেন মিজো ফুটবলার। তরুণ ফুটবলারকে নিয়ে হাবাসের বিশ্লেষণ, ‘ইন্টার কাশীতে আমার কোচিংয়ে খেলেছে এডমুন্ড। অসাধারণ প্রতিভা। প্র্যাকটিসেও দারুণ সিরিয়াস।’ অনুমান করাই যায়, আল হুসেইনির বিরুদ্ধেও সেই একই ভূমিকায় খেলতে পারেন এডমুন্ড। পাশাপাশি নজর থাকবে আপফ্রন্টের দিকে। এই মুহূর্তে স্ট্রাইকার লাইনে বিদেশিহীন ইস্ট বেঙ্গল। জেসিন, ডেভিডের মতো ভারতীয় ফুটবলারই ভরসা। এই প্রসঙ্গে হাবাস বললেন, ‘ওদের উপর আস্থা আছে।’ কলকাতায় এসিএলের প্লে-অফে কুয়েতের আল আরবিকে হারায় হাবাস বাহিনী। সেই ম্যাচে পরিবর্ত হিসাবে মাঠে নেমে অনবদ্য পারফরম্যান্স ছিল ডেভিডের। চলতি মরশুমে অনেক বেশি ম্যাচ টাইম পাচ্ছেন তিনি। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, হাবাসের অভিজ্ঞতা ডেভিডকে আরও বিপজ্জনক করে তুলবে। শুক্রবার সন্ধ্যায় ইস্ট বেঙ্গল মাঠে অনুশীলন করল দল। বিষ্ণু ও রশিদ পুরো ফিট নন। প্যালেস্তান মিডিও অনুশীলনও করতে পারেননি। তবে জানা যাচ্ছে, দলের সঙ্গেই জর্ডন যাচ্ছেন তিনি। ম্যাচের আগেই ফিট হয়ে যাবেন। পাশাপাশি ক্রোয়েশিয়ান ডিফেন্ডার জিভুলিচের দিকেও নজর থাকবে। আনোয়ারের সঙ্গে তাঁর জুটি ক্লিক করে গেলে থিঙ্কট্যাঙ্কের চিন্তা কমবে।