ইস্ট বেঙ্গল-০ : ইউনাইটেড স্পোর্টস-০
ইস্ট বেঙ্গল-০ : ইউনাইটেড স্পোর্টস-০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ডার্বিতে মোহন বাগানকে রুখে প্রশংসায় ভাসছিল ইস্ট বেঙ্গল। কিন্তু সুপার সিক্সের প্রথম ম্যাচেই ছন্দপতন! ঘরের মাঠে ইউনাইটেড স্পোর্টসের বিরুদ্ধে গোলশূন্য ড্র করে লিগ খেতাবের দৌড়ে বড় ধাক্কা খেল লাল-হলুদ ব্রিগেড। এখন যা পরিস্থিতি, তাতে বাকি দু’টি ম্যাচ জিতলেই হবে না। তাদের তাকিয়ে থাকতে হবে বাকি ম্যাচের ফলের দিকে।
সুপার সিক্সে মোহন বাগান ৫-১ ব্যবধানে কোল ইন্ডিয়াকে হারিয়েছে। অর্থাত্, +৪ গোল পার্থক্যে অ্যাডভান্টেজ সবুজ-মেরুন ব্রিগেডের। তাই এদিন ম্যাচ শুরু আগে ইস্ট বেঙ্গল গ্যালারি থেকে একটাই আবদার ছিল, পাঁচ গোলে জিততে হবে। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই আকুতি কমতে কমতে এসে দাঁড়ায়, কেবল ম্যাচটা জেতো! কিন্তু আকাশ-বাতাসরা সেটাও পারলেন না। আসলে ডার্বিতে ভালো পারফরম্যান্সের আত্মতুষ্টিই কাল হল। এদিন রীতিমতো নিজেদের ছায়া হয়েই থাকলেন আকাশ হেমব্রম, তন্ময়রা। তাছাড়া প্রথম একাদশের চার গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারকে পাননি কোচ অর্চিষ্মান বিশ্বাস। বিজয় মুর্মুর কার্ড সমস্যা, মনোতোষ মাঝি ও বিক্রম প্রধানের চোট। চাকু মান্ডি আবার রেলের হয়ে খেলতে গিয়েছেন। তাঁদের অভাব ম্যাচে প্রবলভাবে প্রকট। তবুও গোলের সুযোগ পেয়েছিল ইস্ট বেঙ্গল। পঞ্চম মিনিটেই আকাশের শট জমা পড়ে বিপক্ষ গোলরক্ষক সৌরভ সামন্তের দস্তানায়। ৩০ মিনিটে উত্তম হাঁসদার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৪১ মিনিটে মহম্মদ বিলালও সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। দ্বিতীয়ার্ধে আরও জমাট দেখাল ইউনাইটেডের রক্ষণ। ৬৫ মিনিটে অবশ্য গোল পেতে পারত ইস্ট বেঙ্গল। কিন্তু বক্সে ফাঁকায় বলে পেয়েও পা ছোঁয়াতে ব্যর্থ রবি দাস। প্রশংসা করতে হবে ইউনাইটেড স্পোর্টসের কোচ লালকমল ভৌমিকের। প্রাপ্ত সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে তাঁর দল জিতেও মাঠ ছাড়তে পারত। ম্যাচ শেষে তাঁর আক্ষেপ, ‘ছেলেরা লড়াই করেছে ঠিকই। তবে ম্যাচটা আমাদের জেতা উচিত ছিল।’ আর অর্চিষ্মানের কথায়, ‘গুরুত্বপূর্ণ চার ফুটবলার না থাকাতেই সমস্যা হল। আত্মতুষ্টিও একটা বড়ো ফ্যাক্টর। তবে সহজে আমরা হাল ছাড়ছি না। এখনও সুযোগ রয়েছে। সুপার সিক্সের বাকি ম্যাচগুলিতে মরিয়া হয়ে লড়বে ছেলেরা।’