Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

শেষপর্যায়ে এসেও নানা জটিলতায় থমকে স্পেশাল এডুকেটর নিয়োগ

রাজ্যের স্কুলগুলিতে স্পেশাল এডুকেটর নিয়োগের ক্ষেত্রে যেন তীরে এসেও তরি ডোবার অবস্থা। ইতিমধ্যেই চুক্তির ভিত্তিতে কর্মরত প্রায় ১১০০ শিক্ষকের স্ক্রিনিং এবং ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হয়েছে।

শেষপর্যায়ে এসেও নানা জটিলতায়  থমকে স্পেশাল এডুকেটর নিয়োগ
  • ৬ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের স্কুলগুলিতে স্পেশাল এডুকেটর নিয়োগের ক্ষেত্রে যেন তীরে এসেও তরি ডোবার অবস্থা। ইতিমধ্যেই চুক্তির ভিত্তিতে কর্মরত প্রায় ১১০০ শিক্ষকের স্ক্রিনিং এবং ভেরিফিকেশন সম্পন্ন হয়েছে। কাউন্সেলিংয়ের পরে তাঁদের সরাসরি নিয়োগ করার কথা বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে, সুপ্রিম কোর্ট ১ সেপ্টেম্বরের রায়ে যে-সমস্ত কর্মরত শিক্ষকদের (প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক) টেট উত্তীর্ণ হওয়া আবশ্যিক বলেছে, তাতেই এই শিক্ষকদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

Advertisement

স্ক্রিনিং এবং ভেরিফিকেশনের পরে বৈধ কর্মরত শিক্ষক রয়েছেন ১০৫২ জন। ঘটনাচক্রে টেট আবশ্যিক করার রায় যিনি দিয়েছেন, সেই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্তই সারা দেশে স্পেশাল এডুকেটর নিয়োগের মামলাটির দায়িত্বে রয়েছেন। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত শুনানিতে উত্তরপ্রদেশের ক্ষেত্রে এই শিক্ষকদের টেট আবশ্যিক নয় বলেই তিনি মন্তব্য করেছেন বলে প্রার্থীদের দাবি। কোনও পরীক্ষা নিতে চাইলে সেটা রাজ্যে সিদ্ধান্তের উপরেই ছেড়েছেন বলেন খবর। এই পরিস্থিতিতে কিছুটা আশার আলো দেখছেন এরাজ্যের প্রার্থীরাও। পশ্চিমবঙ্গের মামলাটি আগামী মঙ্গলবার ওঠার কথা। তাতে ইতিবাচক নির্দেশ পেলে দু-একদিনের মধ্যেই প্রার্থীদের কাউন্সেলিংয়ে ডাকা হতে পারে বলে খবর। এই মামলার অন্যতম প্রধান পিটিশনার ইন্দ্রজিৎ মিস্ত্রি বলেন, এর পাশাপাশি আরও একটি কারণও রয়েছে দেরি হওয়ার। এই প্রার্থীদের অনেকেই ২০১৬ সালে শিক্ষক বা ক্লার্কের চাকরি পেয়েছিলেন। অন্তত ২২ জনের ক্ষেত্রে চাকরি বাতিল হয়েছে। তাঁদের আবার পুরোনো চুক্তিভিত্তিক চাকরিতে ফিরিয়ে এনে এই প্রক্রিয়ায় চাকরি দিতে বলেছে রাজ্য। তবে, এখনও অনেকে পুরোনো চাকরিতে ফেরেননি। তাই, সেক্ষেত্রেও দেরি হচ্ছে।
অন্যদিকে, একেবারে নতুন প্রার্থীদের পরীক্ষা নিয়ে স্পেশাল এডুকেটর পদে নিয়োগের বিষয়টিও ঝুলে রয়েছে। এই ইশ্যুতে আন্দোলনের অন্যতম নেতা তুলসী মাসন্ত বলেন, ‘২০১০ সালের ৩১ মার্চের পরে আর কোনও নিয়োগ হয়নি। এদিকে, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দিলেও প্রক্রিয়া শুরু করেনি। আর এসএসসি আবেদনগ্রহণ শুরু করলেও কোনও সিলেবাস বা পরীক্ষার দিন ঘোষণা করেনি। এদিকে, বয়স বেড়ে যাচ্ছে স্পেশাল ডিএলএড বা বিএড করা প্রার্থীদের। এমনকি, প্রায় আড়াই হাজার পদের জন্য হাজার পাঁচেক আবেদন জমা পড়েছে। তাই প্রার্থীর অভাবে সব পদ পূরণ হবে কি না, সেই সন্দেহও থেকে যাচ্ছে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ