Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বেপরোয়া টোটো-অটো, পঞ্চানন মোড় যানজটে অবরুদ্ধ হচ্ছে নিত্যদিন

মাথাভাঙা শহর সংলগ্ন পচাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চানন মোড় নিত্যদিন যানজটে অবরুদ্ধ হচ্ছে।

বেপরোয়া টোটো-অটো, পঞ্চানন মোড় যানজটে অবরুদ্ধ হচ্ছে নিত্যদিন
  • ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা শহর সংলগ্ন পচাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের পঞ্চানন মোড় নিত্যদিন যানজটে অবরুদ্ধ হচ্ছে। মাথাভাঙা-শীতলকুচি রাজ্য সড়কে যানজট পড়ে নাজেহাল হতে হচ্ছে অফিস যাত্রী সহ সাধারণ মানুষকেও। স্থানীয়রা জানান, রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে দীর্ঘসময় ধরে টোটো, অটো চালকরা যাত্রী ওঠা-নামা করান। একই সঙ্গে রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে পড়ে যাত্রবাহী বাসও। ফলে বাইকে করে যাঁরা অফিস বা অন্য কাজে যান তাঁদের অনেক সময়ে দীর্ঘক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। বার বার ট্রাফিক কন্ট্রোলের জন্য পুলিশ কর্মী রাখার দাবি জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। যদিও ওখানে সিভিক ভলান্টিয়ার রাখা হয়েছে। কিন্তু বেপরোয়া টোটো ও অটো চালকরা সিভিকদের পাত্তাই দিতে চাননা। 

Advertisement

প্রসঙ্গত, মাথাভাঙা শহরের সঙ্গে শহর সংলগ্ন জনবহুল এলাকাগুলিতেও প্রচুর সংখ্যক টোটো হয়েছে। টোটো নিয়ন্ত্রণে এখনও পর্যন্ত কোনও সদার্থক পদক্ষেপ নিতে পারেনি পুলিশ প্রশাসন। সম্প্রতি টোটো রেজিস্ট্রেশন শুরু হলেও তেমন সাড়া মিলছে না। সিংহভাগ টোটোচালক রেজিস্ট্রেশনে আগ্রহ দেখাচ্ছে না। অপরদিকে, টোটোর জন্য শহর সহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যানজটে নাজেহাল হতে হচ্ছে সবাইকে। 
মাথাভাঙা পঞ্চানন মোড় এলাকাটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। এখানে কোচবিহারের দিকে একটি রাস্তা গিয়েছে, অপরদিকে একটি রাস্তা গিয়েছে শীতলকুচি হয়ে সিতাই পর্যন্ত। শীতলকুচি রোডে যানজট সমস্যা সবচেয়ে বেশি। এই রোডে প্রতিদিন কয়েকশো অটো চলাচল করে। চলাচল করে অসংখ্য টোটো। একাধিক বাসও চলে শীতলকুচি ভায়া সিতাই পর্যন্ত। 
পচাগড় গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান কল্যাণী রায় বলেন, পঞ্চানন মোড় এলাকার যানজট নিত্যদিনের ঘটনা। আমরা নিজেরাও অফিসে যেতে গিয়ে যানজটে প্রায়ই আটকে পড়ছি। পুলিশ প্রশাসনকে আমরা জানিয়েছি। কিন্তু এই সমস্যা সমাধানে যতটা পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন ততটা নেওয়া হচ্ছে না। দুই জন সিভিক ভলান্টিয়ার রাখা হয়েছে, কিন্তু তার পরও সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। 
মাথাভাঙা থানার ট্রাফিক অফিসার শ্যামল সাহা বলেন, ওখানে রাস্তার প্রশস্ত কম রয়েছে। রাস্তার উপর গাড়ি দাঁড় করানোর জায়গাও নেই। আমরা সিভিক ভলান্টিয়ার রেখেছি, তাঁরা ট্রাফিক কন্ট্রোলের বিষয়টি দেখছেন। প্রয়োজনে পুলিশ কর্মীদেরও 
পাঠানো হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ