


ম্যান সিটি-১ : রিয়াল-২
(দুই লেগ মিলিয়ে ৫-১ ব্যবধানে জয়ী রিয়াল)
ম্যাঞ্চেস্টার: চ্যাম্পিয়ন্স লিগ আর রিয়াল মাদ্রিদ প্রায় সমার্থক। ফুটবল মহলের এই বিখ্যাত প্রবাদের সত্যতা টের পাচ্ছেন পেপ গুয়ার্দিওলা। শেষ চারটি মরশুমের মধ্যে তৃতীয়বার তাঁর স্বাদের ম্যাঞ্চেস্টার সিটিকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে ছিটকে দিল রিয়াল মাদ্রিদ। এবার তো দুরমুশ করেছে! প্রথম লেগ ৩-০ জেতার পর মঙ্গলবার ম্যান সিটির পাড়ায় গিয়ে ২-১ জিতেছেন ভিনিসিয়াসরা। অর্থাৎ, ৫-১ ব্যবধানে ইউরোপের সেরা লিগের শেষ আটে সাদা জার্সিধারীরা।
প্রথম লেগে ০-৩ পরাজয়ের পরও প্রত্যাবর্তনের আশায় বুক বেঁধেছিলেন সিটিজেনরা। কারণ একটাই, ডাগ-আউটে ক্ষুরধার মস্তিষ্কের পেপের উপস্থিতি। কিন্তু, ভালো মশলা না থাকলে রাঁধুনির আর কী দোষ? গুয়ার্দিওলার এই দলে একটা ডি’ব্রুইন, ভিনসেন্ট কোম্পানি বা সের্গিও আগুয়েরা নেই। ফলে যা হওয়ার তাই হল। রিয়াল আক্রমণে উঠতেই তাসের ঘরের মতো ভাঙল নীল ম্যাঞ্চেস্টারের রক্ষণ। ১৭ মিনিটে ভিনিসিয়াসের শট পোস্টে প্রতিহত হয়। পরের মিনিটেই আবার এই ব্রাজিলিয়ান গোলের লক্ষ্যে গোলা ছোড়েন। তা নিশ্চিত গোল হত, যদি না বের্নার্ডো সিলভা হ্যান্ডবল করে বলটি রুখতেন। ‘ভার’এ ফুটেজ দেখে সিটির ক্যাপ্টেনকে লাল কার্ড দেখাতে বিলম্ব করেননি রেফারি। সেইসঙ্গে নির্দেশ পেনাল্টিরও। ২২ মিনিটে স্পটকিক থেকে লক্ষ্যভেদেও ভুল হয়নি ভিনিসিয়াসের (১-০)। এরপর ৪১ মিনিটে হালান্ড সান্ত্বনা গোল করলেও ম্যাচে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি পেপ-ব্রিগেড (১-১)। উল্টে, সংযোজিত সময়ে ম্যান সিটির কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন সেই ভিনিসিয়াস (২-১)।
এদিকে, শেষ আটের টিকিট নিশ্চিত করেছে আর্সেনালও। প্রথম লেগে লেভারকুসেনের মাঠে ১-১ গোলে আটকে গিয়েছিল মিকেল আর্তেতার দল। তবে ফিরতি লেগে ঘরের মাঠে জার্মান প্রতিপক্ষকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে পরের রাউন্ডে জায়গা পাকা করল গানাররা। পাশাপাশি অ্যাওয়ে ম্যাচে চেলসিকে ৩-০ ব্যবধানে বশ মানিয়েছে পিএসজি। দুই লেগ মিলিয়ে ৮-২ ব্যবধানে জিতে কোয়ার্টার-ফাইনালে গতবারের চ্যাম্পিয়নরা। অন্যদিকে, নরওয়ের প্রথম ক্লাব হিসেবে অভিষেক চ্যাম্পিয়ন্স লিগেই চমক দিয়েছিল বোডো। শেষ ষোলোর প্রথম লেগে ঘরের মাঠে স্পোর্টিং লিসবনকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে আশা জাগায় তারা। তবে ফিরতি লেগে স্পোর্টিংয়ের কাছে ০-৫ ব্যবধানে হারে। অর্থাত্ ৫-৩ ব্যবধানে জিতে শেষ আটের যোগ্যতা অর্জন করল পর্তুগিজ ক্লাবটি।