দুবাই: আইসিসি টুর্নামেন্টে ভারত-পাক দ্বৈরথের ফল বড়ই একপেশে। টিম ইন্ডিয়ার দাপটে বারবার মুখ থুবড়ে পড়েছে পড়শি দেশটি। তবে টি-২০ অন্য লড়াই। আর ইভেন্টটাও আইসিসি’র নয়, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের। মরুশহরে আয়োজিত মহাদেশীয় টুর্নামেন্টে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া পাকিস্তান। দল অনভিজ্ঞ হলেও স্বপ্ন দেখতে তো ক্ষতি নেই! সমর্থকদের আবেগে সুড়সুড়ি দিয়ে পাক অধিনায়ক সলমন আগা গজরাচ্ছেন। এশিয়া কাপ মহারণের আগে তাঁর মন্তব্য, ‘যে কোনও দলকে হারানোর ক্ষমতা রয়েছে আমাদের। ভারত শক্তিশালী দল। তবে ওদের মোকাবিলার জন্য গেম প্ল্যান প্রস্তুত। এবার তা মাঠে বাস্তবায়নের পালা।’
নিজেদের প্রথম ম্যাচে দুর্বল ওমানের বিরুদ্ধে ৯৩ রানে জিতেছে পাকিস্তান। হাফ-সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ম্যাচের সেরা হয়েছেন মহম্মদ হ্যারিস। তাঁর কাঁধে ভর করেই দেড়শোর গণ্ডি টপকে ছিল পাক দল। ভারতের বিরুদ্ধে কঠিন পরীক্ষায় নামার আগে তিনি বলেন, ‘আগ্রাসী ক্রিকেট খেলতে হবে। অযথা গুটিয়ে থাকার মানেই হয় না।’ সবমিলিয়ে পাক ড্রেসিং রুমের হাওয়া বেশ গরম। তবে বিশেষজ্ঞদের অভিমত, এসব স্রেফ ফাঁকা আওয়াজ। ব্যাটিংয়ে কোনও গভীরতা নেই। বোলিংই মূল ভরসা পাকিস্তানের। পেসার শাহিন আফ্রিদি এবং দুই স্পিনার সাফিয়ুন মুকিম ও ফাহিম আশরাফের উপর ভরসা রেখেই গিল-সূর্যদের চ্যালেঞ্জ ছুড়তে চাইছেন আগা।
দু’দলের শক্তির পার্থক্য অনেকটাই। একটা সময় মরুশহরে এগিয়ে থাকত ওয়াঘার ওপারের দল। ‘জিয়ে জিয়ে পাকিস্তান’ ধ্বনিতে গমগম করত শারজার রাজপথ। কিন্তু আক্রাম, আকিব জাভেদ, সেলিম মালিক, মঈন খানদের পরবর্তী প্রজন্মে তারকা হাতেগোনা। অতীতের আধিপত্য স্রেফ গল্পকথা। তাই কথার ফুলঝুরি দিয়ে এই ভারতকে রোখা তাদের পক্ষে কার্যত অসম্ভব। তবুও স্বপ্ন দেখছেন সলমন আগা। টি-২০ ক্রিকেটেই যে অঘটনের সুযোগ সবচেয়ে বেশি!