প্রদীপ্ত দত্ত, ঝাড়গ্ৰাম: উন্নয়নের হাত ধরে বদলে যাচ্ছে বেলপাহাড়ী। ব্লকের প্রান্তিক মানুষের দু’ বেলা খাবার মিলছে। মিলছেপ্রকল্পের বাড়ি। রাজনৈতিক অশান্তির দিন কেটে এলাকায় শান্তি ফিরে এসেছে। আদিবাসী,জনজাতি গোষ্ঠীর মানুষকে স্বনির্ভর করতে ‘রোড আইল্যান্ড রেড’ মুরগির ছানা দেওয়াহচ্ছে। পুষ্টিকর খাবারের জোগান মিলছে। মুরগির ডিম বিক্রি করে মহিলারা স্বনির্ভর হচ্ছেন।
Advertisement
জেলার প্রাণিসম্পদ দপ্তর বেলপাহাড়ীরআর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নানা পদক্ষেপ করছে। বিনপুর-২ ব্লকে প্রাণী পালনের মাধ্যমে গ্ৰামীণ এলাকায় অপুষ্টি ও দারিদ্র দূরীকরণের চেষ্টা চলছে। বিকল্প জীবিকার মাধ্যমে জীবনযাপনের মান উন্নয়নের চেষ্টা চলছে। চব্বিশ-পঁচিশ অর্থবর্ষে ব্লকের ২হাজার ৬০০ জনকে রোড আই ল্যান্ড রেড মুরগির ছানা দেওয়া হয়েছে।প্রাপকদের মধ্যে বেশিরভাগই আদিবাসী ও জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ। বর্তমানে উন্নত প্রজাতির আমেরিকান রোড আইল্যান্ড মুরগি পালনজনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। শঙ্কর প্রজাতির এই মুরগির দেহের রং গাঢ় খয়েরি লাল, তামাটে লাল বা ঈষৎ পীত বর্ণের। চেহারা বেশ মোটা,বুক ও পেট চওড়া। গায়ের চামড়া হলদে, পা দুটো ফিকে হলদে রঙের। কানের লতি আকারে ছোট ও লাল। মাথার ঝুঁটিররংগোলাপি। এ জাতের মোরগ ওজনে ২-৩ কেজি এবং মুরগি দেড় থেকে আড়াই কেজির হয়। ডিম উৎপাদনের হার বেশ ভালো। বছরে ১৫০ থেকে ২০০ ডিম দিয়ে থাকে। অসুখ বিসুখ কম হয়। বাঁশপাহাড়ীর বাসিন্দা সরস্বতী মুড়া বলেন, স্বামী চাষের কাজ করেন। কষ্ট করে সংসার চালাতে হয়। ১০টি মুরগির ছানা পেয়েছি। মুরগি পালন করে রোজগার বাড়ার আশা করছি। অপর প্রাপক জবামণি সরেন বলেন, দিনমজুরি, চাষবাস করে সংসার চলে। কাজ না থাকলে রোজগার হয় না। ১০টি মুরগির ছানা পেয়েছি। মুরগি গুলো বড় হলে ঘরের প্রয়োজন মিটিয়ে মুরগি, ডিম বিক্রি করব। মুরগি গুলোর অসুখবিসুখ বেশি হয় না বলেছে। মুরগি পালনে লাভ হবে বলেই আশা করছি।
বিনপুর-২ ব্লকের বিএলডিও ডঃ শিবশঙ্কর সরেন বলেন, বিনপুর-২ ব্লক আদিবাসী ও জনজাতি অধ্যুষিত। বাসিন্দাদের বড় একটি অংশ দূর্বল।প্রাণিসম্পদ দপ্তর বাসিন্দাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। চলতি অর্থবছরে ব্লকের প্রায় তিন হাজার বাসিন্দাকে রোড আইল্যান্ড রেড মুরগির ছানা ও ছাগল পালনের জন্য দেওয়া হয়েছে।পর্যটন প্রসারের কারণে হোটেল, লজ, রিসর্টগুলোতে মূ্রগি, ডিমের চাহিদা বেড়েছে।আর্থিক ভাবে দুর্বল মানুষরা এই মুরগি পালন করে রোজগারের পথ দেখছেন। লোধা,শবর শ্রেণির মানুষদের কাছে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। স্থানীয় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা মুরগি, মুরগির ডিম বিক্রি করে রোজগারের দিশা দেখছেন।
বিনপুর-২ ব্লকের বিএলডিও ডঃ শিবশঙ্কর সরেন বলেন, বিনপুর-২ ব্লক আদিবাসী ও জনজাতি অধ্যুষিত। বাসিন্দাদের বড় একটি অংশ দূর্বল।প্রাণিসম্পদ দপ্তর বাসিন্দাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। চলতি অর্থবছরে ব্লকের প্রায় তিন হাজার বাসিন্দাকে রোড আইল্যান্ড রেড মুরগির ছানা ও ছাগল পালনের জন্য দেওয়া হয়েছে।পর্যটন প্রসারের কারণে হোটেল, লজ, রিসর্টগুলোতে মূ্রগি, ডিমের চাহিদা বেড়েছে।আর্থিক ভাবে দুর্বল মানুষরা এই মুরগি পালন করে রোজগারের পথ দেখছেন। লোধা,শবর শ্রেণির মানুষদের কাছে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। স্থানীয় স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা মুরগি, মুরগির ডিম বিক্রি করে রোজগারের দিশা দেখছেন।



