নয়াদিল্লি: হ্যালো...। বিরাট কোহলি বলছি। ফোনটা পেয়ে প্রথমে থতমত খেয়ে গিয়েছিলেন ছত্তিশগড়ের মণীশ বিশি। তাঁর মতো একজন সাধারণ যুবককে নাকি ফোন করেছেন স্বপ্নের নায়ক কোহলি! ঘোর কাটার আগে আরও একটা ফোন। উল্টো দিকে দক্ষিণ আফ্রিকার বিধ্বংসী ব্যাটার এবি ডিভিলিয়ার্স। নামটা শুনেই হাত থেকে ফোনটা প্রায় পড়েই যাচ্ছিল। কোনও ক্রমে সামাল দিয়েছিলেন মণীশ। পরের কথা ইংরেজিতে ভেসে আসায় বাকিটা বুঝতে পারেননি। প্রথমে ভেবেছিলেন বন্ধুরা বোধহয় মজা করছে। কিছু সময় কাটতেই গরিয়াবন্দ জেলার মাদাগাঁও গ্রামের ওই যুবক বুঝতে পারেন স্বপ্ন নয়, গোটাটাই সত্যি! কারণ, ওই নম্বরটি অতীতে জনপ্রিয় ক্রিকেটার রজত পাটীদারের নামে ছিল। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার বেঙ্গালুরু (আরসিবি) অধিনায়ক রজত সেই নম্বরটি আর ব্যবহার করছিলেন না। ফলে সংশ্লিষ্ট সংস্থা সেটি বন্ধ করে দেয়। পরে ওই নম্বরের ভিত্তিতেই নয়া সিম ইস্যু করে তারা। সেটিই কিনেছিলেন মণীশ। আর ওই নম্বরটি যে পাটীদার আর ব্যবহার করছেন না, তা বিরাট কোহলি বা ডিভিলিয়ার্সদের জানা ছিল না। তাই তাঁদের ফোন রজতের বদলে মণীশের মোবাইলে ঢুকত। প্রশাসনিক মধ্যস্থতায় সেই সিম পুরনো মালিকের কাছে ফেরত গিয়েছে। তার জেরে নয়া নম্বর খোয়াতে হলেও বিন্দুমাত্র দুঃখ নেই ছত্তিশগড়ের ওই যুবকের। বলছেন, এই সময়টা দারুণ উপভোগ করেছি। আনন্দে আত্মহারা হয়ে গিয়েছিলাম। প্রথমে ভেবেছিলাম, বন্ধুরা মজা করছে। কিন্তু, গত ১৫ জুলাই পাটীদার নিজেই ফোন করেছিলেন। নম্বরটি ফেরত দিতে বলেন। পরে বাড়িতে পুলিস আসতেই বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পারি।



