নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: কলকাতার রবিনসন স্ট্রিট কাণ্ডের ছায়া আসানসোলে। বৃদ্ধ স্বামীর মৃতদেহ আগলে দরজা, জানলা বন্ধ করে প্রায় পাঁচদিন বসেছিলেন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। পরে পুলিস এসে দেহটি উদ্ধার করে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম ত্রিদিব দাসশর্মা(৯০)। তিনি ইস্কোর প্রাক্তন কর্মী ছিলেন। সোমবার আসানসোল দক্ষিণ থানার হিলভিউয়ে বিশাল দোতলা বাড়ি থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিস।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষিকা প্রতিবেশীদের বাড়িতে ঢুকতেই দেননি। এমনকী, পুলিসকেও বাড়িতে ঢুকতে বাধা দেন ছোটদিঘারি হাইস্কুলের বাংলার প্রাক্তন শিক্ষিকা তন্দ্রা দাসশর্মা। স্বামীর দেহ নিয়ে যাওয়া আটকানোর চেষ্টা করেন ওই শিক্ষিকা। অবশেষে তাঁকে শান্ত করে পুলিস বাড়িতে ঢুকে দেখে, মাটিতে শোয়ানো ত্রিদিববাবুর দেহ। দেহে পচন শুরু হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলার পুলিসের চেষ্টায় দেহ উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করা হয়। তারপর এদিন তাঁর দাহ করা হয় কাল্লা শ্মশানে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিসন্তান দম্পতির এলাকায় যথেষ্ট সুনাম ছিল। স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই ইস্কোর প্রাক্তন কর্মী। একজন কারখানায় কর্মরত ছিলেন, অন্যজন স্কুলে। ভালো বেতনের চাকরি করায় অর্থের কোনও অভাব না থাকলেও শেষ জীবনে একাকিত্ব গ্রাস করেছিল দম্পতিকে। কয়েক বছর বাড়ির মধ্যে নিজেদের বন্দি রাখতেন। বৃদ্ধাকে মাঝে মধ্যে বাইরে যেতে দেখতেন প্রতিবেশীরা। কিন্তু কয়েকদিন ধরেই বাড়ির সব জানালা দরজা বন্ধ থাকছিল। রবিবার থেকে বাড়ি থেকে পচা দুর্গন্ধ পাওয়া যায় বলে এলাকাবাসীর দাবি। খবর দেওয়া হয় স্থানীয় কাউন্সিলার ও পুলিসকে। সোমবার সকালে পুলিস আসে বাড়িতে। পুলিস দরজায় কড়া নাড়লেও তন্দ্রাদেবী বেরিয়ে এসে বলেন, কেন বিরক্ত করছেন। তাঁর স্বামীর স্বাস্থ্যের খবর নিলে জানিয়ে দেন, তিনি ভালো আছেন। এই বলে দরজা বন্ধ করে দেন। তারপর বহু চেষ্টায় বাড়িতে ঢোকার অনুমতি মেলে। কোনওরকমে বৃদ্ধাকে সরিয়ে বৃদ্ধর দেহ ময়নাতদন্তে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর শ্মশানঘাট। এসিপি বিশ্বজিৎ নস্কর বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে স্পষ্ট হবে কতদিন আগে, কী ভাবে মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নিসন্তান দম্পতির এলাকায় যথেষ্ট সুনাম ছিল। স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই ইস্কোর প্রাক্তন কর্মী। একজন কারখানায় কর্মরত ছিলেন, অন্যজন স্কুলে। ভালো বেতনের চাকরি করায় অর্থের কোনও অভাব না থাকলেও শেষ জীবনে একাকিত্ব গ্রাস করেছিল দম্পতিকে। কয়েক বছর বাড়ির মধ্যে নিজেদের বন্দি রাখতেন। বৃদ্ধাকে মাঝে মধ্যে বাইরে যেতে দেখতেন প্রতিবেশীরা। কিন্তু কয়েকদিন ধরেই বাড়ির সব জানালা দরজা বন্ধ থাকছিল। রবিবার থেকে বাড়ি থেকে পচা দুর্গন্ধ পাওয়া যায় বলে এলাকাবাসীর দাবি। খবর দেওয়া হয় স্থানীয় কাউন্সিলার ও পুলিসকে। সোমবার সকালে পুলিস আসে বাড়িতে। পুলিস দরজায় কড়া নাড়লেও তন্দ্রাদেবী বেরিয়ে এসে বলেন, কেন বিরক্ত করছেন। তাঁর স্বামীর স্বাস্থ্যের খবর নিলে জানিয়ে দেন, তিনি ভালো আছেন। এই বলে দরজা বন্ধ করে দেন। তারপর বহু চেষ্টায় বাড়িতে ঢোকার অনুমতি মেলে। কোনওরকমে বৃদ্ধাকে সরিয়ে বৃদ্ধর দেহ ময়নাতদন্তে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর শ্মশানঘাট। এসিপি বিশ্বজিৎ নস্কর বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট থেকে স্পষ্ট হবে কতদিন আগে, কী ভাবে মৃত্যু হয়েছে।



