Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রবিবার ছুটির দিনে পিকনিক, ঘোরাঘুরিতে জমজমাট মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন স্পট ও পার্ক

রবিবার ছুটির দিনে পিকনিক, ঘোরাঘুরিতে জমজমাট মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন স্পট ও পার্ক
  • ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, লালবাগ: বর্ষবরণের আগে রবিবার নবাবের শহরের একাধিক পিকনিক স্পট, পার্ক ও আমবাগানে ভিড় উপচে পড়ল। মুর্শিদাবাদ শহরের পাশাপাশি নবগ্রামের কিরীটেশ্বরী মন্দিরের সংলগ্ন মাঠ, জিয়াগঞ্জ থানার বড়নগর সহ লালবাগ মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার মানুষকে পিকনিক করতে দেখা যায়। খাওয়াদাওয়া, হই হুল্লোড়ের পাশাপাশি বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রতিযোগিতা ও খেলাধুলোয় মেতে উঠতে দেখা যায় সকলকে। পিকনিকে এসে অনেকে আবার হাজারদুয়ারি প্যালেস সহ, বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখেন। ফলে বড়দিনের পর রবিবারেও দর্শনীয় স্থানগুলিতে পর্যটকদের ঠাসা ভিড় ছিল। 
Advertisement
শীতের আমেজ পড়তেই মুর্শিদাবাদ শহরের পিকনিক স্পটগুলি সহ খোলা মাঠ, আমবাগান প্রভৃতি স্থানে পিকনিক শুরু হয়। পিকনিক স্পট সহ বিভিন্ন স্থানে পিকনিকে মেতে উঠতে দেখা যাচ্ছে কচিকাঁচা থেকে বড়দেরও। জেলার বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি প্রতিবেশী জেলা নদীয়া, বীরভূম প্রভৃতি জেলা থেকেও বাস, ছোট গাড়িতে করে দল বেঁধে মানুষ মুর্শিদাবাদে পিকনিক করতে আসছেন। বড়দিনের এক সপ্তাহ আগে থেকেই পিকনিক স্পষ্টগুলিতে ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রসঙ্গত, মুর্শিদাবাদ শহরে সরকারি পার্ক বা পিকনিক স্পট না থাকলেও ব্যক্তিগত মালিকানাধীন বেশ কয়েকটি পার্ক রয়েছে। শীতের মরশুম জুড়ে এই পার্কগুলিতে পিকনিক চলে। শহরের মোতিঝিল মসজিদ সংলগ্ন একটি পার্কে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ২৫টি দল পিকনিক করতে এসেছিল। শীতের দুপুরে অল্প বয়সি ছেলেমেয়ে থেকে মধ্যবয়স্কদের যেমন বোটিং-এ মেতে উঠতে দেখা যায়, তেমনি কচিকাঁচাদের ট্রয় ট্রেন, মিকি মাউস জাম্পিং-এ হই হুল্লোড় করে আনন্দে মেতে উঠতে দেখা যায়। মালদা জেলার একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যমের কচিকাঁচা পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকদের নিয়ে পিকনিক করতে এসেছিল স্কুল কর্তৃপক্ষ। পিকনিকের পাশাপাশি পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকদের নিয়ে খেলাধুলো, কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল। স্কুল পরিচালন কমিটির এক সদস্য বলেন, প্রথমবার এখানে আসা হয়েছে। সকালে টিফিনের পরেই পড়ুয়া এবং তাদের অভিভাবকদের জন্য বিভিন্ন খেলাধুলো এবং প্রতিযোগিতা রাখা হয়েছিল। বীরভূমের রাজগ্রাম থেকে বাস ভাড়া করে ৪০ সদস্যের একটি দল পিকনিক করতে এসেছিল। দলের সদস্য মিলন চক্রবর্তী বলেন, গত বছর এখানে পিকনিক করতে আসার ঠিকঠাক থাকলেও শেষ পর্যন্ত আসা হয়নি। তাই এবছর আগেই চলে এসেছি। লালবাগ-বহরমপুর রাজ্য সড়কের দুই পাশের পার্কগুলিতেও ঠাসা ভিড় ছিল। এক পার্ক কর্মী বলেন, বড়দিনের কয়েকদিন আগে থেকেই পিকনিক করতে প্রতিদিন ১৫-২০টি দল আসছে। এদিন ইচ্ছা না থাকলেও বেশ কয়েকটি দলকে ফিরিয়ে দিতে হয়েছে। 
সম্পর্কিত সংবাদ