নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: রবি মরশুমে কৃষকবন্ধু প্রকল্পে পশ্চিম মেদিনীপুরের ১০লক্ষ চাষি উপকৃত হলেন। এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়ে উপকৃত হয়েছেন প্রত্যন্ত এলাকার চাষিরাও। প্রশাসনের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, কৃষি ব্যবস্থায় এই প্রকল্প নতুন দিশা দেখাচ্ছে। গোটা রাজ্যে এক কোটির বেশি চাষি কৃষকবন্ধু প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন। এই প্রকল্পের আওতায় জেলার একশো শতাংশ চাষিকে আনার জন্য নানা পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এরফলে সাফল্যও মিলেছে। বর্তমানে জেলার বেশিরভাগ চাষি এই প্রকল্পের আওতায় এসেছে। চাষিরা জানান, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে জেলায় চাষের ব্যাপক ক্ষতি হয়। শস্যবিমার সঙ্গে কৃষকবন্ধু প্রকল্পের সুবিধা মেলায় সরাসরি উপকৃত হয়েছেন চাষিরা।
Advertisement
অতিরিক্ত জেলাশাসক(কৃষি) গোবিন্দ হালদার বলেন, কৃষকবন্ধু প্রকল্পের টাকা পেয়ে উপকৃত হয়েছেন চাষিরা। জেলায় আগের তুলনায় চাষের পরিমাণও বেড়েছে। দুয়ারে সরকার সহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে চাষিরা বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য আবেদন করছেন। জেলার ১০০শতাংশ চাষি যাতে বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পান সেদিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের তরফে কৃষি ব্যবস্থা ঢেলে সাজা হচ্ছে। কৃষির উন্নতির জন্য লাগাতার নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন। রাজ্যের প্রতিটি ব্লকের কৃষিদপ্তর থেকে উন্নতমানের বীজ, ওষুধ দিয়ে চাষিদের সাহায্য করা হচ্ছে। কৃষির উন্নতির জন্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যে কৃষকবন্ধু বিশেষ সাড়া ফেলেছে। সরকারি সাহায্য পাওয়ায় চাষেও ব্যাপক সাফল্য এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন প্রশাসনিক বৈঠক থেকেও কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, ২০১৯সালে এই কৃষকবন্ধু প্রকল্পের সূচনা হয়। খরিফ ও রবি মরশুমের শুরুতে চার হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বছরে দু’টি সমান কিস্তিতে সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়। আগে এই প্রকল্পের মাধ্যমে পাঁচ হাজার ও দু’হাজার টাকা করে পেতেন চাষিরা। ২০২১ সালের পর চাষিদের সুবিধার্থে টাকার পরিমাণ বাড়ানো হয়।
জেলা কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার সবং ব্লকে ৮৭হাজার, কেশপুর ব্লকে ৮৭হাজার, নারায়ণগড়ে ৭৩ হাজার, ঘাটাল ব্লকে ৬৮ হাজার ও ডেবরা ব্লকে ৬৫ হাজারের বেশি চাষি এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এছাড়াও গড়বেতা, মেদিনীপুর সদর, খড়গপুর -১, খড়গপুর-২ সহ একাধিক ব্লকের লক্ষাধিক চাষি এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মাধ্যমে আরও বহু চাষি এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হবেন বলে আশাবাদী প্রশাসনের আধিকারিকরা।
কেশপুর ব্লকের চাষি সুনীল মণ্ডল বলেন, আগে কোনও প্রকল্পের সুবিধাই পেতেন না চাষিরা। বর্তমানে অনেক প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যায়। এছাড়া কৃষি যন্ত্রপাতি কিনতেও ছাড় মেলে। কৃষকবন্ধুর টাকা পেয়ে সুবিধা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, রাজ্য সরকারের তরফে কৃষি ব্যবস্থা ঢেলে সাজা হচ্ছে। কৃষির উন্নতির জন্য লাগাতার নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন। রাজ্যের প্রতিটি ব্লকের কৃষিদপ্তর থেকে উন্নতমানের বীজ, ওষুধ দিয়ে চাষিদের সাহায্য করা হচ্ছে। কৃষির উন্নতির জন্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের মধ্যে কৃষকবন্ধু বিশেষ সাড়া ফেলেছে। সরকারি সাহায্য পাওয়ায় চাষেও ব্যাপক সাফল্য এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন প্রশাসনিক বৈঠক থেকেও কৃষকদের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, ২০১৯সালে এই কৃষকবন্ধু প্রকল্পের সূচনা হয়। খরিফ ও রবি মরশুমের শুরুতে চার হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বছরে দু’টি সমান কিস্তিতে সরাসরি কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়। আগে এই প্রকল্পের মাধ্যমে পাঁচ হাজার ও দু’হাজার টাকা করে পেতেন চাষিরা। ২০২১ সালের পর চাষিদের সুবিধার্থে টাকার পরিমাণ বাড়ানো হয়।
জেলা কৃষিদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার সবং ব্লকে ৮৭হাজার, কেশপুর ব্লকে ৮৭হাজার, নারায়ণগড়ে ৭৩ হাজার, ঘাটাল ব্লকে ৬৮ হাজার ও ডেবরা ব্লকে ৬৫ হাজারের বেশি চাষি এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। এছাড়াও গড়বেতা, মেদিনীপুর সদর, খড়গপুর -১, খড়গপুর-২ সহ একাধিক ব্লকের লক্ষাধিক চাষি এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। দুয়ারে সরকার কর্মসূচির মাধ্যমে আরও বহু চাষি এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হবেন বলে আশাবাদী প্রশাসনের আধিকারিকরা।
কেশপুর ব্লকের চাষি সুনীল মণ্ডল বলেন, আগে কোনও প্রকল্পের সুবিধাই পেতেন না চাষিরা। বর্তমানে অনেক প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যায়। এছাড়া কৃষি যন্ত্রপাতি কিনতেও ছাড় মেলে। কৃষকবন্ধুর টাকা পেয়ে সুবিধা হচ্ছে।



