Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিমানে যাত্রীর ব্যাগে বিরল ব্ল্যাক শ্যাঙ্কড ডুক, ব্যাংকক থেকে কলকাতায় নামার পরেই উধাও বানর

ব্যাংকক থেকে বিমানে চড়ে কলকাতায় এল দু’টি বিরল প্রজাতির বানর। নাম ব্ল্যাক শ্যাঙ্কড ডুক। তারমধ্যে একটি কলকাতা বিমানবন্দরের টার্মিনাল এড়িয়া থেকে উধাও।

বিমানে যাত্রীর ব্যাগে বিরল ব্ল্যাক শ্যাঙ্কড ডুক, ব্যাংকক থেকে কলকাতায় নামার পরেই উধাও বানর
  • ৭ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ব্যাংকক থেকে বিমানে চড়ে কলকাতায় এল দু’টি বিরল প্রজাতির বানর। নাম ব্ল্যাক শ্যাঙ্কড ডুক। তারমধ্যে একটি কলকাতা বিমানবন্দরের টার্মিনাল এড়িয়া থেকে উধাও। টানা তিন দিন খোঁজার পরও সন্ধান মেলেনি। কলকাতা বিমানবন্দর সূত্রে খবর, থাই এয়ারওয়েজের বিমানে ব্যাগে ভরে ব্যাংকক থেকে বানরটি কলকাতায় নিয়ে আসেন এক যাত্রী। সোমবার সকালে ব্যাংকক থেকে কলকাতায় নামেন নৈহাটি এলাকার ওই বাসিন্দা। বানর বিক্রির জন্য তিনি নিয়ে আসছিলেন কলকাতায়। পশু পাচার চক্রের সঙ্গে ওই ব্যক্তি জড়িত বলে অভিযোগ। বিরল প্রজাতির ওই বানরের আনুমানিক দাম ১০-৩০ লক্ষ টাকা। ঝুড়ির ভিতরে ভরে ট্রলি ব্যাগে করে বানর নিয়ে আসছিলেন যাত্রী। কিন্তু কলকাতায় নামার পর তাঁর আচরণে কিছু অসংগতি দেখতে পান কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। যেহেতু আন্তর্জাতিক বিমানে চড়ে ওই যাত্রী কলকাতায় এসেছেন, ফলে শুল্ক দপ্তরের আধিকারিকদের কাছে খবর দেওয়া হয়। শুল্কদপ্তরের কর্তারা এসে ব্যাগ পরীক্ষা করতেই তাজ্জব হয়ে যান। ব্যাগের ভিতরে ছোটো একটি ঝুড়ির মধ্যে দুটি বানর রাখা ছিল। যাত্রীকে আলাদা জায়গায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন কলকাতা বিমানবন্দরের আধিকারিকরা। পরে বেআইনিভাবে বানর নিয়ে বিমানে নিয়ে আসার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

Advertisement

তবে মারাত্মক ঘটনাটি ঘটে বিমানবন্দরেই। ঝুড়ির মধ্যে যখন বানর দুটি ছিল, তখন তাদের প্রাথমিক পরীক্ষার কাজ শুরু হয়। বিমানে চড়ে এসেছে, বানরের শ্বাস-প্রশ্বাস ঠিকমতো চলছে কি না, সেটা পরীক্ষার কাজ শুরু হয়। আর ঠিক তখনই ঝুড়ি থেকে একটি বানর লাফ দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে কলকাতা বিমাবন্দরের শুল্ক বিভাগ খবর দেয় রাজ্যের বনদপ্তরের কাছে। বনদপ্তরের আধিকারিকদের হাতে একটি বানর তুলে দেওয়া হয়। পালিয়ে যাওয়া বানরটিকে খোঁজার কাজ শুরু হয়। কিন্তু তিন দিন ধরে খোঁজাখুঁজির পরেও বানরটি পাওয়া যায়নি। রাজ্যের বনমন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা বলেন, যে বানরটি পালিয়ে গিয়েছে, তার কোনও সন্ধান বিমানবন্দরের বিল্ডিং সংলগ্ন অংশে পাওয়া যায়নি। অন্যটি যথাস্থানে পাঠাবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কলকাতা বিমানবন্দরের অধিকর্তা বিক্রম সিং বলেন, বিমানবন্দরে ৮০০টির উপর ক্যামেরা আছে। কিন্তু পালিয়ে যাওয়া বানরটির কোনও সন্ধান মেলেনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ