Bartaman Logo
২৪ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা, হাতে কামড়ে পালিয়ে বাঁচল ছাত্রী

রামপুরহাটে নাবালিকা আদিবাসী ছাত্রীকে ধর্ষণ ও দেহ টুকরো টুকরো করে খুনের ঘটনা এখনও টাটকা। সেই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের ফাঁসির দাবিতে আদিবাসী সংগঠনগুলির বিক্ষোভ, মিছিল, সভা লেগেই রয়েছে।

জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা, হাতে কামড়ে পালিয়ে বাঁচল ছাত্রী
  • ২৬ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: রামপুরহাটে নাবালিকা আদিবাসী ছাত্রীকে ধর্ষণ ও দেহ টুকরো টুকরো করে খুনের ঘটনা এখনও টাটকা। সেই ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের ফাঁসির দাবিতে আদিবাসী সংগঠনগুলির বিক্ষোভ, মিছিল, সভা লেগেই রয়েছে। এরই মধ্যে এবার নলহাটিতে বছর ১২-র এক আদিবাসী ছাত্রীকে জোরপূর্বক জঙ্গলে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে শোরগোল পড়ল। পরিবারের দাবি, অভিযুক্তের হাতে কামড়ে পালিয়ে বাঁচে ছাত্রী। শনিবার দুপুরে পরিবারের লোকজন ওই ছাত্রীকে নিয়ে এসে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনায় অভিযুক্ত নলহাটির চণ্ডীপুর গ্রামের বাসিন্দা বছর ৪০-র মসিবুল শেখকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

Advertisement

পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ ওই ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী প্রতিবেশী বোনকে সঙ্গে নিয়ে গ্রাম লাগোয়া কাঁদরে মাছ ও গুগলি তুলতে গিয়েছিল। সেই সময় কিছুটা দূরে কাঁদরের জল সেচ করে জমিতে ফেলছিল মসিবুল। অভিযোগ, মসিবুল ওই নাবালিকাদের বলে, এখানে এসো। অনেক মাছ আছে। ওই দুই নাবালিকা সরল বিশ্বাসে সেখানে মাছ ধরতে শুরু করে। তারা মাছ ধরতে ধরতে যতই এগিয়ে যায়, ততই মসিবুলও তাদের পিছনে পিছনে আসতে শুরু করে। ভয় পেয়ে ওই নাবালিকারা কাঁদর থেকে উঠে পালিয়ে আসার চেষ্টা করে। অভিযোগ, তখন ঩সে ওই ছাত্রীর হাত ধরে টানাটানি করে। পরে তাকে জঙ্গলে তুলে নিয়ে ধর্ষণের জন্য ধস্তাধস্তি শুরু করে মসিবুল। ওই ছাত্রী ও তার প্রতিবেশী বোন চিৎকার শুরু করে। কিন্তু নির্জন ওই এলাকায় দ্বিতীয় কোনও ব্যক্তি ছিল না। তখন ওই ব্যক্তির হাতে কামড় দিয়ে কোনওরকমে দৌড়ে বাড়ি ফিরে কান্নাকাটি শুরু করে ছাত্রীটি। পরিবারের সদস্যরা জিজ্ঞাসা করলে সে ঘটনার কথা খুলে বলে। ঘটনায় আদিবাসীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিবাদে এদিন মসিবুলের গ্রামে জমায়েত হন স্থানীয় আদিবাসীরা। 
এদিন  দুপুরে নাবালিকা মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে থানায় এসে মসিবুলের নামে অভিযোগ করে পরিবার। এরপরই পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। থানা চত্বরে দাঁড়িয়ে উপযুক্ত বিচারের দাবি জানান ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা। ছাত্রীর মা বলেন, মেয়ে যদি হাতে কামড় দিয়ে পালিয়ে না আসত, তাহলে হয়তো মেয়েকে পেতাম না। আর কোনও লোক ছিল না। রামপুরহাটের মতোন মেয়ের উপর অত্যাচার চালিয়ে খুন করে ফেলে দিত।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ