নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: ভারবহন ক্ষমতা পরীক্ষা করার জন্য ৭২ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে রামকৃষ্ণ সেতু। সমস্ত ধরনের যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত হবে। তার জন্য আজ, শুক্রবার বৈঠক ডাকল আরামবাগ মহকুমা প্রশাসন। মহকুমা শাসকের কনফারেন্স হলে ওই বৈঠক হবে। সেই বৈঠকে যোগ দিতে বলা হয়েছে বাস মালিক সমিতিকেও। সেতু বন্ধ হলে ব্যাপক দুর্ভোগের মধ্যে পড়তে হবে বাসিন্দাদের। হুগলির পাশাপাশি বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দাদেরও প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে।
পূর্তদপ্তরের হুগলির এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার জ্যোতিপ্রকাশ ধর বলেন, বর্তমানে রামকৃষ্ণ সেতুতে ভারবহন ক্ষমতা কেমন রয়েছে, তা জানা জরুরি। তাই শনিবার সকাল ৬টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৬টা পর্যন্ত লোড টেস্টিংয়ের কাজ হবে। বিষয়টি ইতিমধ্যেই প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। সেতুতে ভার পরীক্ষা করার জন্য ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণও প্রয়োজন। সেতুর উপরে লরি সহ যন্ত্রাংশ থাকবে। তাই সেতুর উপর দিয়ে হেঁটে ছাড়া কোনওভাবে যাতায়াত করা সম্ভব নয়।
হুগলি ইন্টার রিজিয়ন বাস মালিক সমিতির সভাপতি মির্জা গোলাম মোস্তফা বলেন, আগের মতোই আরামবাগ ও কালীপুর থেকে কাটা সার্ভিসে বাস চলাচল করবে। বিষয়টি আমরা সংগঠনের সদস্যদের ইতিমধ্যেই জানিয়েছি। তবে প্রশাসন আমাদের চিঠি দিয়ে জানানোয় আজকের বৈঠকে যোগ দেব।
প্রসঙ্গত, গত ৯ আগস্ট রামকৃষ্ণ সেতুর গার্ডওয়ালের একাংশ ভেঙে পড়ে। তারপর থেকে সেতুতে ভারী যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দু’মাসের বেশি সময় ধরে কাটা সার্ভিসে চলাচল করে বাস। বর্তমানে সেতু দিয়ে বাস চলাচল করছে। কিন্তু, সেতুতে লোড টেস্ট করার জন্য আগামিকাল থেকে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। তবে কম সময়ের ব্যবধানের সেতু বন্ধের কথা জানানোয় অনেকে ক্ষোভ প্রকাশও করেছেন।