নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যাত্রা উৎসবের জয়যাত্রা অব্যাহত থাকুক। মুছে যাক পুরনো কালিমা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ২০ দিন ব্যাপী যাত্রা উৎসবের সূচনা করে একথা বলেন বিধায়ক তথা অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। পশ্চিমবঙ্গ যাত্রা সম্মেলনের উদ্যোগে বাগবাজার ফণিভূষণ বিদ্যাবিনোদ মঞ্চে এদিন সন্ধ্যায় প্রদীপ জ্বালানোর মধ্যে দিয়ে শুরু হয় এই উৎসব। যাত্রা সম্মেলনের দুই কর্তা গৌতম নন্দী ও কনক ভট্টাচার্য তাঁদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তুলে ধরেন, নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে কীভাবে যাত্রা শিল্প এগিয়ে চলেছে। তাঁদের আশা, নতুন সরকার এই লোকশিল্পের দিকে সবরকমভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে। এদিন মঞ্চস্থ হয় ‘সেই হারানো সুর’ যাত্রাপালা, যার পালাকার অনল চক্রবর্তী। শেষ দিনে মঞ্চস্থ হবে পালাকার মঞ্জিল বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা ‘একালের মহাভারত।’ যাত্রা উৎসবের প্রথম দিনে যাত্রা মঞ্চের হল ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। টিকিট কাটতে ছিল লম্বা লাইন। সংগ্রামী যাত্রা প্রহরী ও কলকাতা যাত্রা কর্মী ইউনিয়ন জানায়, দৈনিক টিকিট মূল্য হল‑ ৩০, ৪০ ও ৬০ টাকা। -নিজস্ব চিত্র



