সংবাদদাতা তেহট্ট: কয়েকদিন ধরে মাঝেমধ্যেই বৃষ্টি হচ্ছে। আর এই বৃষ্টিতে তেহট্ট-১ ও ২ ব্লকে তিলচাষের জমি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ফলে তিলচাষে ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফসল ঘরে তুলতে পারবেন কিনা-তা নিয়ে তিলচাষিরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
সংবাদদাতা তেহট্ট: কয়েকদিন ধরে মাঝেমধ্যেই বৃষ্টি হচ্ছে। আর এই বৃষ্টিতে তেহট্ট-১ ও ২ ব্লকে তিলচাষের জমি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। ফলে তিলচাষে ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফসল ঘরে তুলতে পারবেন কিনা-তা নিয়ে তিলচাষিরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
তিলের দাম ও বাজারে চাহিদা রয়েছে। সেজন্য তেহট্টে কৃষকদের তিলচাষে আগ্রহ রয়েছে। তিলচাষের খরচও অন্য ফসলের তুলনায় অনেক কম। এই চাষে সেচ লাগে না বললেই চলে। চাষ শুরুর সময় জমিতে জল দিতে হয়। চাষের মাঝে আর একবার জল দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তবে তা অতি সামান্য। এককথায়, এই চাষে জল কম লাগে। বৃষ্টি কম হলেই চাষে সুবিধা হয়।
কিন্তু বেশ কয়েকদিন ধরে তেহট্ট-১ ও ২ ব্লকের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে। এতে নানা খালবিল যেমন জলে ভরেছে, তেমনি বহু কৃষিজমি জলমগ্ন হয়েছে। তার মধ্যে তিলের জমিও রয়েছে। বেতাই, তেহট্ট, শ্যামনগর, আশরফপুর, ইলশেমারি সহ তেহট্ট-২ ব্লকের চকবিহারী নতিপোতা, হাঁসপুকুরিয়া সহ বহু এলাকায় কৃষিজমিতে জল জমেছে। বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া দেওয়ায় অনেক তিলগাছ ভেঙে গিয়েছে।
চৈত্রের সময় তিলচাষ শুরু হয়। জ্যৈষ্ঠের মাঝামাঝি সময়ে ফসল ওঠে। কিন্তু তার আগেই বৃষ্টিতে জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চাষিরা চিন্তিত। পেশায় কৃষক সমাপ্ত বিশ্বাস বলেন, এক বিঘা জমিতে তিল চাষ করি। বুধবার থেকে দফায় দফায় বৃষ্টিতে পুরো জমি জলমগ্ন। এখনও আকাশ মেঘলা। জমিতে জল থাকায় ফলন আর পাওয়া যাবে না।
তেহট্ট-১ সহ কৃষি অধিকর্তা আনন্দ মিত্র বলেন, অল্পবিস্তর ক্ষতি তো হয়েছেই। তবে সব চাষের জমি পর্যবেক্ষণে রাখা হবে। চাষিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।