Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬

ইমার্জেন্সি কোটায় আসন সংরক্ষণে সুপারিশ যাচাই করে দেখার বার্তা রেলের

‘ভেরি ভেরি ইমপর্ট্যান্ট’। ‘মাস্ট’। ‘অ্যাডজাস্ট’। ট্রেনের ইমার্জেন্সি কোটার (ইকিউ) সুপারিশে এইসব শব্দের উল্লেখ থাকলেই সতর্ক হন।

ইমার্জেন্সি কোটায় আসন সংরক্ষণে সুপারিশ যাচাই করে দেখার বার্তা রেলের
  • ১৫ মে, ২০২৫ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি:  ‘ভেরি ভেরি ইমপর্ট্যান্ট’। ‘মাস্ট’। ‘অ্যাডজাস্ট’। ট্রেনের ইমার্জেন্সি কোটার (ইকিউ) সুপারিশে এইসব শব্দের উল্লেখ থাকলেই সতর্ক হন। ঠিক কী প্রয়োজনে এভাবে ইমার্জেন্সি কোটার সুবিধে চাওয়া হচ্ছে, সেই ব্যাপারেও নিশ্চিত হন। দরকার মনে হলে ডাবল ক্রস চেক করুন। ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে তুমুল সংঘাতের আবহে ট্রেনের আসন সংরক্ষণ নিয়ে এবার কঠোর পদক্ষেপের পথে হাঁটতে চলেছে রেল বোর্ড। ইতিমধ্যেই এই ব্যাপারে রেলমন্ত্রকের ১৭টি জোনেই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রকের শীর্ষ সূত্রে জানানো হয়েছে যে, এই ইস্যুতে অত্যন্ত ইঙ্গিতপূর্ণ ‘কমিউনিকেশন’ করেছে রেল। সেখানে বলা হয়েছে যে, ভিআইপি কোটায় বার্থের জন্য সুপারিশ করা হলেই চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করার কোনও দরকার নেই। তাতে বিপদ ঘটতে পারে। 

Advertisement

ভারত-পাক সংঘাতের আবহে ইতিমধ্যেই গোয়েন্দাদের কাছে রিপোর্ট এসেছে, এক্ষেত্রে সহজ টার্গেট হতেই পারেন সাধারণ রেল যাত্রীরা। সেইমতো বিভিন্ন রেলওয়ে স্টেশনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রেল লাইন পরীক্ষায় নাইট পেট্রলিংয়ের সংখ্যাও বাড়িয়েছে রেলমন্ত্রক। এই প্রেক্ষিতেই ট্রেনের আসন সংরক্ষণের বিষয়ে রেল বোর্ডের পক্ষ থেকে যেভাবে সাবধানতা অবলম্বন করা হচ্ছে, তাকে মোটেও হাল্কাভাবে নেওয়া যাচ্ছে না। সরকারি সূত্রের খবর, রেলমন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা জোনগুলিকে স্পষ্টই জানিয়েছেন, রেল কিংবা আইআরসিটিসির নথিভুক্ত ট্রাভেল এজেন্টরা যাতে ইমার্জেন্সি কোটার অপব্যবহারের সুযোগ না পায়, তা সুনিশ্চিত করতেই হবে। 
প্রসঙ্গত, বিভিন্ন আপৎকালীন পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে রেল আসন সংরক্ষণের ক্ষেত্রে কোটার বন্দোবস্ত রাখে। শর্তসাপেক্ষে বিশিষ্টরা সেই পরিষেবা পান। সাংসদ, বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি, সরকারি আধিকারিকদের মতো একাধিক ক্ষেত্রের যাত্রীদের এই ব্যাপারে অগ্রাধিকারও দেওয়া হয়। তবে এর অপব্যবহার নিয়ে ভুরি ভুরি অভিযোগও ওঠে। সূত্রের খবর, জোনগুলিকে পাঠানো নির্দেশিকায় রেল সাফ জানিয়েছে যে, এমার্জেন্সি কোটার সুপারিশ পত্রে রেলের কোনও গেজেটেড অফিসারকেই স্বাক্ষর করতে হবে। যাঁর হয়ে সুপারিশ করা হচ্ছে, তাঁর নাম, ঠিকানা, চাকরির সবিস্তার তথ্য, ফোন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ইমার্জেন্সি কোটার প্রয়োজনীয়তা কেন হয়েছে, সেই সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানতে হবে। তারপরেই নির্দিষ্ট মর্মে সুপারিশ করা যাবে। এর অন্যথা হলে সংশ্লিষ্ট রেল আধিকারিকের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন উঠবে।

সম্পর্কিত সংবাদ