নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: মহাকুম্ভের সময় পদপিষ্টের ঘটনা ঘটেছে। মৃত্যু হয় ১৮ জনের। এরপর দোল উৎসবের সময়েও পদপিষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। বরাতজোরে রক্ষা পেয়েছেন রেলযাত্রীরা। প্রতিবারই অভিযোগের কাঠগড়ায় ‘হাই প্রোফাইল’ নিউদিল্লি রেলওয়ে স্টেশন। তাই আসন্ন গ্রীষ্মাবকাশে সামার স্পেশাল ট্রেন চালানোর আগে নর্দার্ন জোনে বিশেষ সতর্কতা চাইছে রেলমন্ত্রক। প্রয়োজনে নিউদিল্লি স্টেশনের চাপ কমানো যায় কি না, সেই ব্যাপারে চিন্তাভাবনা শুরু করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।
শীর্ষ সূত্রে খবর, এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ স্থির করতে শীঘ্রই বৈঠকে বসতে চলেছে রেল বোর্ড। সামগ্রিক বিষয়টিকে তাই উল্লেখযোগ্য বলেই মনে করছে রেল বিশেষজ্ঞ মহল। যাত্রী ভিড় সামাল দেওয়ার লক্ষ্যে প্রধানত নিউদিল্লি স্টেশনে পদপিষ্ট হওয়ার ঘটনার পর বেশ কিছু সমাধানমূলক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে রেল বোর্ড। এর মধ্যে অন্যতম—বিভিন্ন রেলওয়ে স্টেশনে ‘হোল্ডিং জোন’ তৈরি করা। এই জায়গাটি মূলত অসংরক্ষিত এবং কনফার্মড টিকিট না থাকা রেল যাত্রীদের জন্যই তৈরি হচ্ছে। রেলের যুক্তি, সমস্ত যাত্রী একসঙ্গে স্টেশনে প্রবেশ করলে অনেক সময়ই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সেক্ষেত্রে অসংরক্ষিত এবং ওয়েটিং লিস্টে থাকা যাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট ব্যবস্থা থাকলে প্ল্যাটফর্মে তুলনায় কম ভিড় হবে। ‘হোল্ডিং জোন’-এ ট্রেন সংক্রান্ত ঘোষণার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।
জানা যাচ্ছে, সামার স্পেশাল ট্রেন চালানোর আগে এই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হবে। নিউদিল্লি স্টেশনের চাপ কমিয়ে সামার স্পেশাল ট্রেনের বড় অংশ আনন্দ বিহার টার্মিনাল, গাজিয়াবাদ, ওল্ড দিল্লির মতো নর্দার্ন রেলের আওতায় থাকা স্টেশন থেকে ছাড়া যায় কি না, তা নিয়ে ও ভাবনা শুরু হয়েছে।