Bartaman Logo
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

ইউপিআই চার্জ বাবদ বাড়তি কত টাকার বোঝা, হিসাব কষছে রেল

ইউপিআইয়ের মাশুল হিসাবে বাড়তি কড়ি গুনতে হলে ঘুরপথে যাত্রী ভাড়া বৃদ্ধি করে ক্ষতির পূরণ করবে রেল?

ইউপিআই চার্জ বাবদ বাড়তি কত টাকার বোঝা, হিসাব কষছে রেল
  • ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ইউপিআইয়ের মাশুল হিসাবে বাড়তি কড়ি গুনতে হলে ঘুরপথে যাত্রী ভাড়া বৃদ্ধি করে ক্ষতির পূরণ করবে রেল? অথবা বাড়িয়ে দেওয়া হবে খাবারের দাম? এমনই আশঙ্কায় ভুগছেন রেল যাত্রীদের বড়ো অংশ। ইতিমধ্যে মোদি সরকার ঘোষণা করেছে, শর্তসাপেক্ষে এবার ইউপিআইয়ে বসানো হবে চার্জ। এরই অন্যতম শর্ত হিসাবে কেন্দ্র জানিয়েছে, রেল, টেলিকম, বিমা, জ্বালানি, কৃষি উপকরণের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে দু’হাজার টাকার বেশি প্রতিটি লেনদেনে পাঁচ টাকা মাশুল দিতে হবে। যদিও শর্তমতো কোনো ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত মাশুল সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের কাছ থেকে নেওয়া যাবে না। অর্থাৎ, ইউপিআই পেমেন্টের মাধ্যমে দু’হাজার টাকার বেশি দামে টিকিট বিক্রিতে প্রতিটি বুকিংয়ে অতিরিক্ত পাঁচ টাকা দিতে হবে। কিন্তু কেন্দ্রের ঘোষণা অনুসারে, এই বাড়তি পাঁচ টাকা সংশ্লিষ্ট যাত্রীর কাছ থেকে নিতে পারবে না আইআরসিটিসি বা রেল। ফলে অনলাইন টিকিট বুকিংয়ে ইউপিআই পেমেন্টের ক্ষেত্রে মাশুল গুনতে হলে তাদের ঘাড়ে কত বাড়তি বোঝা চাপবে, সেই হিসাব কষছে রেল। প্রাথমিকভাবে রেলের আশঙ্কা, এক্ষেত্রে বছরে অন্তত ১৮ থেকে ২০ কোটি টাকার অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা তাদের উপর চাপতে পারে। আর এহেন প্রেক্ষিতেই সিঁদুরে মেঘ দেখছেন সাধারণ রেল যাত্রীরা। 

Advertisement

কোন সমীকরণে এমন হিসাব কষছে রেল? আইআরসিটিসির হিসাব অনুসারে, প্রতিদিন অনলাইনে রেলের টিকিট বুকিং হয় অন্তত ১৫ লক্ষ থেকে ২০ লক্ষের মধ্যে। কখনো কখনো সেই সংখ্যাও ছাপিয়ে যায়। আইআরসিটিসির নতুন পোর্টাল চালুর পর অনলাইনে টিকিট বুকিংয়ের হার আরও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে রেলের দাবি। আইআরসিটিসি সূত্রে জানানো হয়েছে, এই অনলাইন বুকিং হওয়া টিকিটের মধ্যে অন্তত এক লক্ষ টাকা পেমেন্ট হয় ইউপিআইয়ের মাধ্যমে এবং এর প্রতিটিই দু’হাজার টাকা বেশি মূল্যের। সেই হিসাবে এক বছরে ইউপিআইয়ের মাশুল হিসাবে রেলকে অতিরিক্ত প্রায় ১৮ কোটি টাকা গুনতে হবে। এই পরিমাণও বৃদ্ধি পাবে। কারণ বিভিন্ন ট্রেনের ডায়নামিক ফেয়ার ইত্যাদির কারণে দু’হাজার টাকার অধিক মূল্যের টিকিট বিক্রি হবে আরও বেশি। এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে করেনি রেল। তবে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, যাত্রীদের উপর কোনো অতিরিক্ত বোঝা চাপানোর পরিকল্পনা নেই।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ