সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হতেই নড়েচড়ে বসল রেল। নবদ্বীপ ধাম স্টেশন থেকে বাসস্ট্যান্ডের সামনের রাস্তা থেকে ব্যাদড়াপাড়া গুমটি পর্যন্ত লাইট লাগানোর কাজ শুরু হল। শুক্রবার সকাল থেকে এই লাইট লাগানোর কাজ শুরু হয়েছে। এতদিন নবদ্বীপ ধাম স্টেশন রোডের রাস্তায় কিছুদূর অন্তর ল্যাম্পপোস্টে লাইট থাকলেও তার জ্যোতি বড়ই ক্ষীণ। বিশেষ করে স্টেশন রোডের দখলদারি উচ্ছেদের পর নবদ্বীপ ধাম স্টেশন রোডের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সন্ধের পর অন্ধকারে ডুবে যায়। অন্ধকারের মধ্যে যাতায়াত সমস্যায় হচ্ছিল নবদ্বীপে আসা পর্যটক, পুণ্যার্থী থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের। শুক্রবার বর্তমান পত্রিকায় এই সমস্যার খবর প্রকাশিত হয়। তার জেরে এদিন সকাল থেকেই রেলের উদ্যোগে ওই রাস্তায় লাইট লাগানোর কাজ শুরু হয়েছে। এতে খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। রাস্তায় আলো থাকলে যাতায়াতে অনেকটাই স্বচ্ছন্দ বোধ করবেন এলাকাবাসীও।
এপ্রসঙ্গে পূর্ব রেলের নবদ্বীপ ইলেকট্রিক ইঞ্জিনিয়ারিং দপ্তরের এক আধিকারিক জানান এই স্টেশন রোডে ১০টি ৯০ ওয়াটের এলইডি লাইট লাগানো কাজ চলছে। আগামী দিন যেখানে যেখানে প্রয়োজন হবে সেখানে লাইট লাগানো হবে। স্টেশন রোড এলাকার বাসিন্দা গৌতম নন্দী বলেন, রেলের জায়গায় আমারও দোকান ছিল। উচ্ছেদ নোটিস দেওয়ায় উঠে যেতে হচ্ছে। দোকানপাট উঠে যাওয়ার পরে সন্ধ্যার পর গোটা এলাকা অন্ধকার ডুবে যায়। রেলের পক্ষ থেকে এই লাইট লাগানো হচ্ছে। এতে মানুষের উপকার হবে। নবদ্বীপ সংলগ্ন পূর্ব বর্ধমানের শ্রীরামপুরের বাসিন্দা ব্যবসায়ী উত্তম বিশ্বাস বলেন, এই রোডে রেলের জায়গায় অনেকেরই দোকান ছিল। তখন দোকানের আলোতেই এলাকা আলোকিত হয়ে থাকত। এখন দোকানপাট তুলে দিয়েছে। তাই আলোর অভাব ছিল। রেল কর্তৃপক্ষ লাইট লাগিয়ে দিচ্ছে। নবদ্বীপ বুঁইচারা পাড়ার বাসিন্দা তারক মোদক বলেন, অন্ধকারে বেশি রাতে বাড়ি ফেরার সময় সমস্যায় পড়তে হত। শুধু স্থানীয় বাসিন্দারা নন, দোল উৎসব উপলক্ষে ইতিমধ্যেই নবদ্বীপের মঠ-মন্দিরে আসতে শুরু করে দিয়েছেন পুণ্যার্থী ও পর্যটকরা। তাঁরাও সমস্যায় পড়ছিলেন। দেরিতে হলেও রেলের এই উদ্যোগে ভালই লাগছে। -নিজস্ব চিত্র