নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ‘৩০-৩২ টা রয়েছে। মোদি সরকার আমার বিরুদ্ধে যত মামলা করবে, সেগুলি গলায় মেডেল হিসেবেই দেখব। মোদির মামলায় ভয় পাই না। ক্ষমতা থাকে তো আমাকে আটকে দেখাক।’ বৃহস্পতিবার এই মর্মেই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন রাহুল গান্ধী। সামনেই বিহারে বিধানসভা নির্বাচন। তাই জাতি জনগণনার ইস্যুতে এদিন দ্বারভাঙায় আম্বেদকর হস্টেলে গিয়ে ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলতে দিল্লি থেকে উড়ে গিয়েছিলেন রাহুল। কিন্তু তাঁকে সেখানে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলেই অভিযোগ। হস্টেলের গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু পরে রাহুল সেখানে অন্য দরজা দিয়ে হস্টেলে পৌঁছন।
তখনই রাহুলের মন্তব্য, আমাকে কেন আটকানো হচ্ছে? নীতীশ কুমারজি, মোদিজি ক্ষমতা থাকলে আটকে দেখান। উপস্থিত ছাত্রদের উচ্ছ্বাসের মধ্যে রাহুল বলেন, জাতি জনগণনার ঝড় শিক্ষাক্ষেত্রে ন্যায় এনেই ছাড়বে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংরক্ষণের সুবিধা দিতে হবে। দলিত ছাত্রদের মধ্যে তাঁকে যেতে বাধা দেওয়ায় রাহুল প্রশ্ন তোলেন, এই দেশ গণতন্ত্রে চলে। সংবিধানে চলে। কোনও তানাশাহিতে নয়। সামাজিক এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ন্যায়ের দাবিতে আমি সোচ্চার হবই। কেউ রুখতে পারবে না। এদিকে, আজ শুক্রবার বিশেষ সাংবাদিক সম্মেলন করবেন রাহুল গান্ধী। কোন শর্তে ভারত-পাকিস্তান সংঘর্ষবিরতি, জঙ্গি দমনের প্রসঙ্গে আচমকাই কেন উঠে এল কাশ্মীর , মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একের পর এক মন্তব্যে ভারতকে অস্বস্তি ফেলার মতো ইস্যুতে দুনিয়া সরগরম হলেও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেন চুপ? এই প্রশ্ন তুলে আজ শুক্রবার তোপ দাগতে চলেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। বুধবারই দলের বৈঠকে তা ঠিক হয়েছে। কংগ্রেসের প্রশ্ন, সংঘর্ষবিরতিই হোক বা কাশ্মীর ইস্যু, ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কের মধ্যে কেন তৃতীয়পক্ষের হস্তক্ষেপ? ঐতিহাসিক সিমলা চুক্তির দ্বিপাক্ষিক অবস্থান থেকে কি সরে এসেছে কেন্দ্র? কেনই বা পাক অধিকৃত কাশ্মীর ছিনিয়ে নেওয়ার মতো সুযোগ হাতছাড়া করলেন মোদি? বিরোধীদের দাবি সত্ত্বেও বিশেষ অধিবেশন কেন ডাকা হচ্ছে না? এইসব প্রশ্নে মোদিকে টার্গেট করেছে কংগ্রেস।