নয়াদিল্লি: ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্ক চাপানো থেকে চীনের আগ্রাসন। সংসদে মোদি সরকারকে জোরালো আক্রমণ বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর। ‘চীনা সখ্যে’র অভিযোগ তুলে তাঁকে পাল্টা জবাব দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর।
নয়াদিল্লি: ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্ক চাপানো থেকে চীনের আগ্রাসন। সংসদে মোদি সরকারকে জোরালো আক্রমণ বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর। ‘চীনা সখ্যে’র অভিযোগ তুলে তাঁকে পাল্টা জবাব দিয়েছেন বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর।
বৃহস্পতিবার লোকসভা অধিবেশনের জিরো আওয়ারে ওই দুই ইস্যু নিয়ে সরব হন রাহুল। তিনি বলেন, আমেরিকা ভারতীয় পণ্যের উপর ২৭ শতাংশ পাল্টা শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ট্রাম্প সরকারের এই পদক্ষেপ দেশের অর্থনীতিকে বিধ্বস্ত করবে। এব্যাপারে সরকার কী অবস্থান নিয়েছে, তা জানতে চেয়ে সরব হন তিনি। চীনের আগ্রাসন ইস্যুতেও মোদি সরকারকে একহাত নিয়েছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, ভারতের এলাকা দখল করে রেখেছে চীন। তাঁর প্রশ্ন, এব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কী করছেন? কংগ্রেস নেতা বলেন, ‘আমাদের চার হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করে রেখেছে চীন। গলওয়ানে ২০ জন ভারতীয় সেনা শহিদ হয়েছেন। এরপরও আমাদের বিদেশ সচিব চীনের দূতের সঙ্গে কেক কেটে জওয়ানদের আত্মত্যাগ উদ্যাপন করছেন। আমি প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চাই। কিন্তু সেই পরিবেশ তৈরির আগে সবক্ষেত্রে স্থিতাবস্থা জরুরি। আমাদের জমি আমরা ফেরত পেতে চাই।’ এদিন বিদেশনীতি প্রসঙ্গে রাহুল প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের বিদেশ নীতি ডান না বাম দিকে থাকা উচিত? এপ্রসঙ্গে ইন্দিরা গান্ধী বলেছিলেন, আমরা কোনওদিকেই ঝুঁকে চলব না। শিরদাঁড়া সোজা করে চলব। কিন্তু বিজেপি ও আরএসএসের এব্যাপারে নীতি পৃথক। যে কোনও বিদেশির কাছে মাথা নত করে চলে তারা।’
কংগ্রেস নেতাকে পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েননি বিজেপি সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ডোকা লা কাণ্ডের পরও যাঁরা চীনের নেতৃত্বের সঙ্গে বসে স্যুপ খান, তাঁদের মুখে ভারত-চীন সীমান্ত নিয়ে কোনও কথা মানায় না। আমাদের এক ইঞ্চি জমিও চীন দখল করেনি। রাজীব গান্ধী ফাউন্ডেশন কেন চীনের থেকে টাকা নিয়েছিল? সেই প্রশ্নও তোলেন অনুরাগ।