নয়াদিল্লি: ‘মোদিকে বলুন ৪ নম্বর অভিযুক্ত জ্ঞানেশ কুমারকে বরখাস্ত করতে। তাহলেই মাত্র ৩০ সেকেন্ডে সমস্ত প্রতিবাদ থেমে যাবে।’ ব্যবসায়ী সংগঠনের তরফে রামলীলা ময়দানে ‘ইন্ডিয়া’ শিবিরের প্রস্তাবিত সভা পিছানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এমনই বার্তা কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর। তাঁর বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরালেই মিলবে সমাধান। তবে রাহুলের মন্তব্যে এই ‘চতুর্থ অভিযুক্ত’ নিয়েই চর্চা তুঙ্গে। জানা গিয়েছে, রাহুলের অভিযুক্তদের তালিকায় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত ও জ্ঞানেশ কুমার। এই চারজন বাদেও নিশানায় রয়েছেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালও। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের কথায়, এভাবে জ্ঞানেশ ইস্তফা দিলেও সরকারের উপর চাপ বজায় রাখার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও। এসআইআরের মাধ্যমে ভোটে কারচুপি রুখতে ও জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন বিরোধী মঞ্চ ইন্ডিয়া । সেইমতো প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। বিরোধী ও ককরোচদের আন্দোলন মোকাবিলায় কড়া নজর রেখেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সূত্রে খবর, দিল্লি পুলিশের সদর কার্যালয়ে বৈঠকের পাশাপাশি দলীয় রণকৌশলও ঠিক করে ফেলেছেন তিনি। এরইমাঝে শনিবার চেম্বার অব ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিটিআই) তরফে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুলকে চিঠি পাঠানো হয়। ব্যবসায়ী সংগঠনের আবেদন— উৎসবের মরশুমে ব্যবসায় বিপুল ক্ষতি হয়ে যাবে। সেই বিষয়টি বিবেচনা করে রামলীলা ময়দানে ১ নভেম্বরের সমাবেশটি যেন পিছিয়ে দেওয়া হয়। সোমবার সেই চিঠির জবাবে কংগ্রেস সাংসদ বলেন, ‘দিল্লির প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে বলতে চাই, আমরা আপনাদের ভালোবাসি। আপনাদের কথাও শুনছি। কিন্তু একটা কথা মাথায় রাখবেন, সরকার মেট্রো বন্ধ করেছে। রাস্তা সিল করেছে। আর এই সরকারই গোটা রাজধানী স্তব্ধ করে দিয়েছিল। যখন ভোটই চুরি হয়ে যাচ্ছে, তখন আর কিছুই সুরক্ষিত নেই। আপনাদের দোকান, সঞ্চয় এমনকী ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যৎও সুরক্ষিত নয়। মোদিজিকে ৪ নম্বর অভিযুক্ত জ্ঞানেশ কুমারকে বরখাস্ত করতে বলুন। তাহলেই ৩০ সেকেন্ডে সমস্ত আন্দোলন থেমে যাবে।’



