নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসের মধ্যে জল জীবন মিশন প্রকল্পে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহের কাজ শেষ করার নির্দেশ দিলেন জেলাশাসক। শুক্রবার তমলুকে জেলাশাসক অফিসে এনিয়ে এক উচ্চ পর্যায়ের মিটিং হয়। সেখানে জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী, অতিরিক্ত জেলাশাসক(ভূমি) বৈভব চৌধুরী ও অতিরিক্ত জেলাশাসক(উন্নয়ন) নেহা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন। এছাড়াও ২৫টি ব্লকের বিডিও, পিএইচই দপ্তরের সকল ইঞ্জিনিয়ার এবং ওই প্রকল্পের ঠিকাদাররা উপস্থিত ছিলেন। প্রতি ১৫দিন অন্তর বিডিওদের জল জীবন মিশন প্রকল্পে রিভিউ মিটিং করে রিপোর্ট পাঠনোর নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক।
Advertisement
তিনি বলেন, আগামী বছর এপ্রিলের মধ্যে ওই কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। ব্লকে ১৫দিন অন্তর এবং জেলায় এক মাস অন্তর এনিয়ে রিভিউ মিটিং হবে। পাইপলাইন পাতার কাজে কোথাও সমস্যা হলে বিডিও এবং সংশ্লিষ্ট থানার আইসি, ওসি হস্তক্ষেপ করবেন।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট পরিবারের সংখ্যা ১১ লক্ষ ৬২ হাজার। পিএইচই দপ্তরের হিসেব অনুযায়ী ৫ লক্ষ ৬৪ হাজার বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এখনও অর্ধেক বাড়ি বাকি রয়েছে। ২০২৪ সালের মধ্যে এই কাজ শেষ করার টার্গেট নেওয়া হলেও বাস্তবে তা হয়নি। তাই সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৫সালের এপ্রিল করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে নিয়মিত নজরদারি চালানো হবে। আগামী ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রত্যেক ব্লকে রিভিউ মিটিং করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথায় পাইপলাইন পাতার কাজ বাকি, ওই কাজে কোথায় সমস্যা হচ্ছে সববিষয়েই আলোচনা হবে।
পূর্ব মেদিনীপুরে জল জীবন মিশন প্রকল্পে নতুন ২১৪টি স্কিমের কাজ চলছে। এছাড়া, পুরনো ১৯৬টি প্রজেক্ট রয়েছে। অনেক ঠিকাদার সাত-আটটি নতুন স্কিমের কাজ হাতে নেওয়ায় সব জায়গায় কাজে গতি আনতে পারছেন না। এজন্য কয়েকজন ঠিকাদারকে ধমক দিয়েছেন জেলাশাসক। সব জায়গায় কাজে গতি আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই কাজে কোনওরকম গড়িমসি মেনে নেওয়া হবে না বলে পিএইচই দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার থেকে ঠিকাদার প্রত্যেককে সতর্ক করে দিয়েছেন। বিডিও, ওসি-র উপস্থিতিতে প্রতি ১৫দিন ব্লকস্তরে ওই কাজে রিভিউ মিটিং হবে।
জল জীবন মিশন প্রকল্পে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ করা হবে। শহরের মতো গ্রামের মানুষও বাড়িতেই পানীয় জল পাবেন। মাথাপিছু দৈনিক ৫৫ লিটার পানীয় জল বরাদ্দ। আগামী চার-পাঁচ মাস প্রকল্পের কাজের গতি অনেকটাই বাড়াতে হবে বলে জেলাশাসক মিটিংয়ে জানিয়েছেন। পাইপ লাইন পাতার কাজে বিভিন্ন জায়গায় নানারকম সমস্যা হচ্ছে। কোথাও গ্রামীণ রাস্তা আবার কোথাও পূর্ত দপ্তরের রাস্তা কাটতে হচ্ছে। এছাড়াও বিএসএনএল, ইলেক্ট্রিসিটি, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সহ নানা জায়গায় সমস্যা হচ্ছে।
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জেলায় জেলায় পিএইচই দপ্তর অবৈধ জলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। পূর্ব মেদিনীপুরে তমলুক, ময়না সহ বিভিন্ন জায়গায় ওই কাজে নেমে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে পিএইচই দপ্তরের কর্মী ও পুলিসকে। বাড়ি পর্যন্ত জলের সংযোগ দিতে না পারায় অনেকে নিজেদের উদ্যোগে ট্যাপ থেকে জল বাড়িতে নিয়ে যেতে বাধ্য হন। এই অবস্থায় পিএইচই ওই লাইন কেটে দেওয়ায় তাঁরা সমস্যায় পড়েছেন। তাই বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের সংযোগ পৌঁছে দেওয়া জরুরি হয়ে পড়ছে।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট পরিবারের সংখ্যা ১১ লক্ষ ৬২ হাজার। পিএইচই দপ্তরের হিসেব অনুযায়ী ৫ লক্ষ ৬৪ হাজার বাড়িতে পানীয় জলের সংযোগ দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ এখনও অর্ধেক বাড়ি বাকি রয়েছে। ২০২৪ সালের মধ্যে এই কাজ শেষ করার টার্গেট নেওয়া হলেও বাস্তবে তা হয়নি। তাই সময়সীমা বাড়িয়ে ২০২৫সালের এপ্রিল করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে নিয়মিত নজরদারি চালানো হবে। আগামী ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রত্যেক ব্লকে রিভিউ মিটিং করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোথায় পাইপলাইন পাতার কাজ বাকি, ওই কাজে কোথায় সমস্যা হচ্ছে সববিষয়েই আলোচনা হবে।
পূর্ব মেদিনীপুরে জল জীবন মিশন প্রকল্পে নতুন ২১৪টি স্কিমের কাজ চলছে। এছাড়া, পুরনো ১৯৬টি প্রজেক্ট রয়েছে। অনেক ঠিকাদার সাত-আটটি নতুন স্কিমের কাজ হাতে নেওয়ায় সব জায়গায় কাজে গতি আনতে পারছেন না। এজন্য কয়েকজন ঠিকাদারকে ধমক দিয়েছেন জেলাশাসক। সব জায়গায় কাজে গতি আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই কাজে কোনওরকম গড়িমসি মেনে নেওয়া হবে না বলে পিএইচই দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ার থেকে ঠিকাদার প্রত্যেককে সতর্ক করে দিয়েছেন। বিডিও, ওসি-র উপস্থিতিতে প্রতি ১৫দিন ব্লকস্তরে ওই কাজে রিভিউ মিটিং হবে।
জল জীবন মিশন প্রকল্পে বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ করা হবে। শহরের মতো গ্রামের মানুষও বাড়িতেই পানীয় জল পাবেন। মাথাপিছু দৈনিক ৫৫ লিটার পানীয় জল বরাদ্দ। আগামী চার-পাঁচ মাস প্রকল্পের কাজের গতি অনেকটাই বাড়াতে হবে বলে জেলাশাসক মিটিংয়ে জানিয়েছেন। পাইপ লাইন পাতার কাজে বিভিন্ন জায়গায় নানারকম সমস্যা হচ্ছে। কোথাও গ্রামীণ রাস্তা আবার কোথাও পূর্ত দপ্তরের রাস্তা কাটতে হচ্ছে। এছাড়াও বিএসএনএল, ইলেক্ট্রিসিটি, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ সহ নানা জায়গায় সমস্যা হচ্ছে।
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জেলায় জেলায় পিএইচই দপ্তর অবৈধ জলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। পূর্ব মেদিনীপুরে তমলুক, ময়না সহ বিভিন্ন জায়গায় ওই কাজে নেমে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে পিএইচই দপ্তরের কর্মী ও পুলিসকে। বাড়ি পর্যন্ত জলের সংযোগ দিতে না পারায় অনেকে নিজেদের উদ্যোগে ট্যাপ থেকে জল বাড়িতে নিয়ে যেতে বাধ্য হন। এই অবস্থায় পিএইচই ওই লাইন কেটে দেওয়ায় তাঁরা সমস্যায় পড়েছেন। তাই বাড়ি বাড়ি পানীয় জলের সংযোগ পৌঁছে দেওয়া জরুরি হয়ে পড়ছে।



