রাজদীপ গোস্বামী, মেদিনীপুর: মেদিনীপুর শহরের কিছু কাউন্সিলার তাঁদের ওয়ার্ডের আবাস তালিকা থেকে নির্দিষ্ট কিছু উপভোক্তার নাম বাতিলের সুপারিশ করেছেন। আর তাতে বিপাকে পড়েছে পুরসভা। অভিযোগ, অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত পরিবারের নাম সেই তালিকায় রাখা হয়েছে। পুরসভার তরফে সরকারি নিয়ম মেনে বাতিল তালিকা খতিয়ে দেখার চেষ্টা করা হচ্ছে ঠিকই। কিন্তু কাউন্সিলাররা তা করতেও বাধা দিচ্ছেন। এই খবর প্রকাশ্যে আসতে শহরজুড়ে বেশ শোরগোল পড়েছে। এক কাউন্সিলারের কথায়, বাড়ি পাওয়ার যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও, বেশকিছু পরিবারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এতে পুরসভার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। যার প্রভাব পড়তে পারে আগামী নির্বাচনগুলিতে। এমনিতেই বিগত বেশ কয়েকটি নির্বাচনে পুর এলাকায় ভালো ফল করতে পারেনি শাসকদল।
Advertisement
মেদিনীপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চাইছেন সরকারি নিয়ম মেনে সবার মাথার উপর ছাদ তৈরি হোক। সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলছে পুরসভা। রাজনৈতিক রং দেখা হচ্ছে না। পুরসভার লক্ষ্য, একশো শতাংশ মানুষকে পরিষেবা দেওয়া। মেদিনীপুর পুর এলাকায় আরও ৮ হাজার বাড়ি তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৫–’১৬ অর্থবর্ষে ১ হাজার ১৯৮ বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। সবকটি বাড়ি তৈরি হয়েছে। ২০১৭-’১৮ অর্থবর্ষে ৮০০ বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। একশো শতাংশ বাড়ি তৈরি হয়ে গিয়েছে। ২০১৮-’১৯ অর্থবর্ষে ১ হাজার ১০০ বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। সবকটি বাড়ির কাজ শেষ করেছে পুরসভা। তথ্য অনুযায়ী ২০২০-’২১ সালের ২ হাজার ৫০০ বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। তার মধ্যে ১ হাজার ৫০০টির বেশি বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই শতাধিক বাড়ি তৈরি হয়েছে। তবে বিভিন্ন জটিলতার জন্য ২০০টি বাড়ি তৈরির কাজ শুরু হয়নি। জানা গিয়েছে, ২০২০-’২১ অর্থবর্ষে অনুমোদন পাওয়া বেশকিছু পরিবার কাউন্সিলারদের বাতিলের লিস্টে রয়েছে। আর এতেই সমস্যায় পড়েছে পুরসভা।
পুরসভার এক কাউন্সিলার বলেন, কাউন্সিলারদের দেওয়া লিস্টে কিছু বাতিলের যোগ্য পরিবার আছে। আবার রাজনৈতিক রং দেখেও কিছু নাম বাতিল করা হয়েছে। এই কারণে পুরসভাকে খতিয়ে দেখতে বাধাও দেওয়া হচ্ছে। আবার শোনা যাচ্ছে, কাউন্সিলারের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না হওয়ায়, কিছু পরিবারের নাম বাদ পড়েছে। শহরের ২৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে বেশিরভাগ ওয়ার্ড থেকেই বাতিল পরিবারের তালিকা জমা পড়েছে। সেই বাতিল পরিবারের সংখ্যা শতাধিক। এতে ক্ষুব্ধ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরাও।
পুর এলাকায় গত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল নেতাকর্মীরাও লিড নিয়ে আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু ফলাফল বলছে, মেদিনীপুর শহরের ২৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টি ওয়ার্ডেই পিছিয়ে যায় তৃণমূল। ১, ২, ১১, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ২১, ২২ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বাদে বাকি ১৫টি ওয়ার্ডে এগিয়ে ছিল বিজেপি। একইসঙ্গে মেদিনীপুর বিধানসভা উপ নির্বাচনে ২৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭ ওয়ার্ডে এগিয়ে বিজেপি। এর মধ্যে কাউন্সিলারদের তৈরি লিস্ট প্রকাশ্যে আসতেই বেশ অস্বস্তিতে ঘাসফুল শিবির। এই ঘটনা সামনে আসতেই ক্ষোভ প্রকাশ করছে বিজেপির নেতাকর্মীরা। জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, বাড়ি পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট নিময় আছে। বিরোধী দল করলে বাড়ি পাওয়া যাবে না, এটাই এখন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৫–’১৬ অর্থবর্ষে ১ হাজার ১৯৮ বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। সবকটি বাড়ি তৈরি হয়েছে। ২০১৭-’১৮ অর্থবর্ষে ৮০০ বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। একশো শতাংশ বাড়ি তৈরি হয়ে গিয়েছে। ২০১৮-’১৯ অর্থবর্ষে ১ হাজার ১০০ বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। সবকটি বাড়ির কাজ শেষ করেছে পুরসভা। তথ্য অনুযায়ী ২০২০-’২১ সালের ২ হাজার ৫০০ বাড়ির অনুমোদন মিলেছিল। তার মধ্যে ১ হাজার ৫০০টির বেশি বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই শতাধিক বাড়ি তৈরি হয়েছে। তবে বিভিন্ন জটিলতার জন্য ২০০টি বাড়ি তৈরির কাজ শুরু হয়নি। জানা গিয়েছে, ২০২০-’২১ অর্থবর্ষে অনুমোদন পাওয়া বেশকিছু পরিবার কাউন্সিলারদের বাতিলের লিস্টে রয়েছে। আর এতেই সমস্যায় পড়েছে পুরসভা।
পুরসভার এক কাউন্সিলার বলেন, কাউন্সিলারদের দেওয়া লিস্টে কিছু বাতিলের যোগ্য পরিবার আছে। আবার রাজনৈতিক রং দেখেও কিছু নাম বাতিল করা হয়েছে। এই কারণে পুরসভাকে খতিয়ে দেখতে বাধাও দেওয়া হচ্ছে। আবার শোনা যাচ্ছে, কাউন্সিলারের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো না হওয়ায়, কিছু পরিবারের নাম বাদ পড়েছে। শহরের ২৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে বেশিরভাগ ওয়ার্ড থেকেই বাতিল পরিবারের তালিকা জমা পড়েছে। সেই বাতিল পরিবারের সংখ্যা শতাধিক। এতে ক্ষুব্ধ জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরাও।
পুর এলাকায় গত লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল নেতাকর্মীরাও লিড নিয়ে আশাবাদী ছিলেন। কিন্তু ফলাফল বলছে, মেদিনীপুর শহরের ২৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১৫টি ওয়ার্ডেই পিছিয়ে যায় তৃণমূল। ১, ২, ১১, ১৩, ১৪, ১৫, ১৬, ২১, ২২ ও ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বাদে বাকি ১৫টি ওয়ার্ডে এগিয়ে ছিল বিজেপি। একইসঙ্গে মেদিনীপুর বিধানসভা উপ নির্বাচনে ২৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭ ওয়ার্ডে এগিয়ে বিজেপি। এর মধ্যে কাউন্সিলারদের তৈরি লিস্ট প্রকাশ্যে আসতেই বেশ অস্বস্তিতে ঘাসফুল শিবির। এই ঘটনা সামনে আসতেই ক্ষোভ প্রকাশ করছে বিজেপির নেতাকর্মীরা। জেলা বিজেপির মুখপাত্র অরূপ দাস বলেন, বাড়ি পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট নিময় আছে। বিরোধী দল করলে বাড়ি পাওয়া যাবে না, এটাই এখন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে।



