নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: সরকারের উদ্দেশ্য প্রতিটি বাড়িতে পাইপ লাইনের মাধ্যমে পানীয় জল পৌঁছনো। কিন্তু পানীয় জলের অপব্যবহার করেছে বহু পরিবার। বিশেষ করে জামালপুর ব্লকে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি। এই ব্লকের অনেক পরিবার পানীয় জলে হাত-পা ধোয়ার জন্য আলাদাভাবে বন্দোবস্ত করেছিল। অনেকে আবার কাপড় পরিষ্কার করার জন্য আলাদা ট্যাপ বসিয়েছিল। জেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে এরকম ১২০০টির বেশি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। আরও কয়েকশো সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে। জেলাশাসক আয়েশা রানি এ বলেন, অভিযান চলছে। জল অপচয় করা যাবে না। প্রতিটি ব্লকে আধিকারিকরা ঘুরছেন। পানীয় জল কাপড় পরিষ্কার বা গবাদি পশুদের স্নান করানোর কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, জল জীবন মিশন প্রকল্পে কয়েকটি জায়গায় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কোথাও কোথাও নিম্নমানের পাইপ ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই পাইপগুলি বেশিদিন টেকসই হবে না বলে স্থানীয়দের দাবি। তাছাড়া বহু জায়গায় পাইপলাইন বসানো হলেও পানীয় জল পৌঁছয়নি। কেন জল সরবরাহ হয়নি সেটাও আধিকারিকরা খতিয়ে দেখছেন। এক আধিকারিক বলেন, জনপ্রতিনিধিদের এই বিষয়টির দিকে আরও বেশি করে নজর দেওয়া উচিত ছিল। সেটা তাঁরা করেননি। এই প্রকল্পে চুক্তিভিত্তিক কিছু কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। সেই তালিকা তৈরি নিয়েই নেতাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। কয়েকটি ব্লকে নেতারা একাধিক তালিকা তৈরি করেছেন। কোন তালিকা গৃহীত হবে তা নিয়ে তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলছে। কিন্তু কাজের মান যাচাই নিয়ে তাঁদের মধ্যে তেমন উদ্যোগ দেখা যায়নি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া নির্দেশের পর প্রতিটি ব্লকে আধিকারিকরা কাজ পরিদর্শন শুরু করেছেন। জামালপুরের মতো কয়েকটি ব্লকে এই প্রকল্পে বিস্তর অসঙ্গতি দেখা গিয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জল জীবন মিশন প্রকল্পে এক সময় জমি নিয় জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সেকারণে কাজ কিছুদিন থমকে ছিল। পরে জমির সমস্যা মিটে যাওয়ায় কাজ গতি পায়। কিন্তু তারপরও বহু বাড়িতে এখনও জল পৌঁছয়নি। কিছু এলাকায় পাইপ লাইনের মাধ্যমে যাওয়া পানীয় জল চাষের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। কোথাও আবার মেশিনের মাধ্যমে জল ট্যাঙ্কে তোলা হচ্ছে। ট্যাঙ্কে জল তুলে নেওয়ার ফলে এলাকার অনেক পরিবারে জল পৌঁছচ্ছিল না। সেই সংযোগগুলি বিচ্ছিন্ন করা হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বলেন, মেন পাইপ থেকে আলাদা লাইন করে কোথাও কোথাও জল অপচয় করা হচ্ছে বলে আমাদের কাছেও অভিযোগ আসছিল। কোথাও এসব করতে দেওয়া যাবে না। কোথাও অবৈধ সংযোগ থাকলে প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিতেও পিছু হটবে না।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জল জীবন মিশন প্রকল্পে এক সময় জমি নিয় জটিলতা তৈরি হয়েছিল। সেকারণে কাজ কিছুদিন থমকে ছিল। পরে জমির সমস্যা মিটে যাওয়ায় কাজ গতি পায়। কিন্তু তারপরও বহু বাড়িতে এখনও জল পৌঁছয়নি। কিছু এলাকায় পাইপ লাইনের মাধ্যমে যাওয়া পানীয় জল চাষের কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। কোথাও আবার মেশিনের মাধ্যমে জল ট্যাঙ্কে তোলা হচ্ছে। ট্যাঙ্কে জল তুলে নেওয়ার ফলে এলাকার অনেক পরিবারে জল পৌঁছচ্ছিল না। সেই সংযোগগুলি বিচ্ছিন্ন করা হবে। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শ্যামাপ্রসন্ন লোহার বলেন, মেন পাইপ থেকে আলাদা লাইন করে কোথাও কোথাও জল অপচয় করা হচ্ছে বলে আমাদের কাছেও অভিযোগ আসছিল। কোথাও এসব করতে দেওয়া যাবে না। কোথাও অবৈধ সংযোগ থাকলে প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিতেও পিছু হটবে না।



