Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সিবিআই তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে কুরবান শার পরিবার

কুরবান শা খুনের ঘটনায় আইনি লড়াইয়ে তাঁর দাদা ও প্রধান সাক্ষীর বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত আটটি এফআইআর হয়েছে

সিবিআই তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টে কুরবান শার পরিবার
  • ৮ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: কুরবান শা খুনের ঘটনায় আইনি লড়াইয়ে তাঁর দাদা ও প্রধান সাক্ষীর বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত আটটি এফআইআর হয়েছে। তারমধ্যে গণধর্ষণ, চুরি, ছিনতাই এবং পকসো মামলাও যুক্ত হয়েছে। যাবতীয় মামলা মিথ্যা দাবি করে এবার সিবিআই তদন্তের দাবিতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন কুরবান শার দাদা আফজল শা। ২০১৯ সালে মাইসোরায় পার্টি অফিসে খুন হন তৃণমূলের ব্লক কার্যকরী সভাপতি কুরবান। সেই মামলায় এখনও পর্যন্ত প্রায় ১০ জন পুলিস অফিসার ও কর্মী বিরূপ সাক্ষী ঘোষিত হয়েছেন। এছাড়া, প্রধান সাক্ষী শেখ ইমরান আলি ও কুরবান শার দাদা আফজল শায়ের বিরুদ্ধে পাঁশকুড়া থানায় আটটি মামলা দায়ের হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অসহযোগিতার পাশাপাশি প্রতিহিংসামূলক আচরণ করা হচ্ছে বলে আফজল শার অভিযোগ। সোমবার পাঁশকুড়ায় এক সাংবাদিক বৈঠক ডেকে আফজল বলেন, আমার ভাই কুরবান শা তৃণমূল কংগ্রেসের পাঁশকুড়া ব্লক কার্যকরী সভাপতি ছিলেন। এছাড়া, পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি ছিলেন। তাঁর স্ত্রী মাইসোরা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন। ২০১৯ সালে মাইসোরা বাজারে পার্টি অফিসের মধ্যে আমার ভাইকে গুলি করে খুন করা হয়। সেই মামলায় প্রতি মুহূর্তে পুলিসের অসহযোগিতা এবং প্রতিহিংসা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রধান সাক্ষী শেখ ইমরান আলি এবং আমার বিরুদ্ধে এ পর্যন্ত আটটি মামলা দায়ের হয়েছে। তারমধ্যে গণধর্ষণ, পকসো, চুরি, ডাকাতি এবং অপহরণের মতো মামলা রয়েছে। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত প্রায় ১০ জন পুলিস অফিসার ও কর্মী বিরূপ সাক্ষী ঘোষিত হয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের এই জেলার কোনও নেতা কুরবান শার খুন নিয়ে একটি শব্দ খরচ করেন না। অথচ, জামিনে থাকা অভিযুক্তের সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করছেন। আমাদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করার ঘটনায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছি। আমাদের দাবি, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা গোটা ঘটনার তদন্ত করুক।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ