সংবাদদাতা, পতিরাম: প্যারোলে মুক্তি পেয়ে জেল থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন আসামি। সোমবার জেলে ফিরে যাওয়ার কথা থাকলেও তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যু হল। বালুরঘাটে বাড়ির শৌচালয় থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে ওই ব্যক্তির। জেল খাটার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতেই এই পদক্ষেপ, নাকি এর পিছনে অন্য রহস্য রয়েছে, তা নিয়ে ধন্দে পরিবার। পুলিস সূত্রে খবর, দাদাকে খুনের দায়ে যাবজ্জীবন কারদণ্ড হয়েছিল ওই ব্যক্তির। ১৪ বছর তিনি জেলে ছিলেন। শনিবার দেহ উদ্ধার করে বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। ডিএসপি হেডকোয়ার্টার বিক্রম প্রসাদ বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে খবর, মৃত নারায়ণ মণ্ডলের (৫৫) বাড়ি তপনের করদহে। তাঁর পরিবার বালুরঘাটের চকভৃগুতে ভাড়াবাড়িতে থাকত। গত ৪ তারিখে জেল থেকে প্যারোলে মুক্তি পান নারায়ণ। গতকাল বাড়িতে কেউ ছিলেন না। সেই সময় শৌচালয়ে গিয়েছিলেন নারায়ণ। পরিবারের সদস্যরা ফিরে দেখেন সেখানেই দেহ ঝুলছে। মৃতের স্ত্রী রীতা মণ্ডল বলেন, বাড়িতে ছিলাম না। শনিবার দুপুরে কোথায় আছি জিজ্ঞেস করে ফোন কেটে দেয়। কী হয়েছিল জানি না। প্যারোল শেষ হওয়ার পর সোমবার জেলে ফেরার কথা ছিল। কেন এমন করল বুঝতে পারছি না।
জেল সূত্রে খবর, ১৪ বছর বালুরঘাট কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারেই ছিলেন নারায়ণ। জমি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে ঝামেলার সময় নারায়ণ লাঠি দিয়ে মারধর করলে জখম হয়ে মৃত্যু হয় দাদার। তপন থানায় লিখিত অভিযোগ হওয়ার পর বিচার শেষে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় বালুরঘাট জেলা আদালত। সংশোধনাগারের সুপারিনটেনডেন্ট দেবাশিস মণ্ডল বলেন, ওই ব্যক্তি প্যারোলে ছাড়া পেয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়েছি। পুলিসের সঙ্গে কথা বলে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জেল সূত্রে খবর, ১৪ বছর বালুরঘাট কেন্দ্রীয় সংশোধনাগারেই ছিলেন নারায়ণ। জমি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে ঝামেলার সময় নারায়ণ লাঠি দিয়ে মারধর করলে জখম হয়ে মৃত্যু হয় দাদার। তপন থানায় লিখিত অভিযোগ হওয়ার পর বিচার শেষে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় বালুরঘাট জেলা আদালত। সংশোধনাগারের সুপারিনটেনডেন্ট দেবাশিস মণ্ডল বলেন, ওই ব্যক্তি প্যারোলে ছাড়া পেয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুর খবর পেয়েছি। পুলিসের সঙ্গে কথা বলে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



