নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: কলকতায় ধৃত তিন প্রতারক বর্ধমানের আরও কয়েকজন নেতাকে পদ দেওয়ার টোপ দিয়েছিল। তার বিনিময়ে তারা ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকার প্যাকেজ দেয়। অগ্রিম হিসেবে কারও কাছে পাঁচ, আবার কারও কাছে সাত লক্ষ টাকা দাবি করে। পদ পেয়ে যাওয়ার পর ধাপে ধাপে বাকি টাকা দিতে হবে বলে তারা জানায়। কয়েকজন তাদের কথায় বিশ্বাস করে দক্ষিণা দিয়ে দেন। কলকাতায় ওই তিন নেতা গ্রেপ্তার হওয়ায় তাঁরা এখন কপাল চাপড়াচ্ছেন।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারকরা বর্ধমানের নামী হোটেলগুলিতে আসত। সেখানে বেশ কয়েকজন নেতা দেখা করে এসেছে। প্রতারকদের কয়েকজন ‘এজেন্ট’ তাদের কাছে নিয়ে যায়। প্রতারকরা নেতাদের পাশে ছবি দেখিয়ে বিশ্বাস অর্জন করেছিল। তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারকরা জেলার এক পুরসভার চেয়ারম্যানকে ফোন করার সময় একটা ভুল করে ফেলে। তারা প্রথমে ফোন করে সেখানকার শহরের কাজ সম্পর্কে জানতে চায়। পরে তারা দাবি করে কয়েকটি পদে বদল করা হবে। সব কিছু নিয়ে আলোচনা করার জন্য চেয়ারম্যানকে এমএলএ হস্টেলে ডেকে পাঠায়। সঙ্গে পাঁচ লক্ষ টাকা নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। তাতেই চেয়ারম্যানের খটকা লাগে। তিনি বিষয়টি রাজ্যের এক হেভিওয়েট নেতাকে জানান। তারপরই প্রতারকদের ধরতে জাল পাতা হয়।
শাসকদলের দাবি, এই চক্রে আরও কয়েকজন যুক্ত রয়েছে। তারা পদ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা তুলছে। নেতারাও তাতে প্রভাবিত হয়ে যাচ্ছে। এক নেতা বলেন, সবাই প্রভাবিত হচ্ছে, এমনটা নয়। প্রতারকরা বেশ কিছু নেতাকে ফোন করেছিল। কিন্তু অনেক নেতা তাদের পাত্তা দেননি। মূলত যেসব নেতার কলকাতায় যোগাযোগ মজবুত নয়, তাঁরাই জালে জড়িয়ে যান। যেসব নেতা আগে পদে ছিলেন, তাঁদের বেশি করে টার্গেট করা হয়।
তৃণমূল নেতা দেবু টুডু বলেন, এই প্রতরণা চক্রে যারা যুক্ত রয়েছে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই পুলিস ব্যবস্থা নেবে। তারা বর্ধমানে প্রায়ই আসত বলে জানা গিয়েছে। প্রতারকরা দলের ভাবমূর্তির ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল।
শাসক দলের অপর এক নেতা বলেন, প্রতারকরা দাবি করত তাদের সঙ্গে শীর্ষ নেতৃত্বের সুসম্পর্ক রয়েছে। সংগঠনে রদবদলের দায়িত্ব তাদের উপরই রয়েছে। তারা যে তালিকা তৈরি করে দেবে, সেটাই চূড়ান্ত হবে। ওই প্রতারকরা যাদের ইন্ধনে পূর্ব বর্ধমান জেলায় জাল ছড়িয়েছিল, তাদেরও চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তারা কোথা থেকে টাকা পাচ্ছে, সেটাও দেখা উচিত। নেতৃত্বের দক্ষতা দেখে পদ দেওয়া হবে। কোনও প্রতারক টাকার বিনিময়ে পদ দিতে পরবে না। বর্ধমানের হোটেলে কারা পদের ঝুলি নিয়ে এসেছিল, পুলিস তা তদন্ত করে দেখছে। কোন কোন নেতা তাদের সঙ্গে দেখা করেছে তা নিয়েও খোঁজ শুরু হয়েছে।
শাসকদলের দাবি, এই চক্রে আরও কয়েকজন যুক্ত রয়েছে। তারা পদ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা তুলছে। নেতারাও তাতে প্রভাবিত হয়ে যাচ্ছে। এক নেতা বলেন, সবাই প্রভাবিত হচ্ছে, এমনটা নয়। প্রতারকরা বেশ কিছু নেতাকে ফোন করেছিল। কিন্তু অনেক নেতা তাদের পাত্তা দেননি। মূলত যেসব নেতার কলকাতায় যোগাযোগ মজবুত নয়, তাঁরাই জালে জড়িয়ে যান। যেসব নেতা আগে পদে ছিলেন, তাঁদের বেশি করে টার্গেট করা হয়।
তৃণমূল নেতা দেবু টুডু বলেন, এই প্রতরণা চক্রে যারা যুক্ত রয়েছে তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই পুলিস ব্যবস্থা নেবে। তারা বর্ধমানে প্রায়ই আসত বলে জানা গিয়েছে। প্রতারকরা দলের ভাবমূর্তির ক্ষতি করার চেষ্টা করেছিল।
শাসক দলের অপর এক নেতা বলেন, প্রতারকরা দাবি করত তাদের সঙ্গে শীর্ষ নেতৃত্বের সুসম্পর্ক রয়েছে। সংগঠনে রদবদলের দায়িত্ব তাদের উপরই রয়েছে। তারা যে তালিকা তৈরি করে দেবে, সেটাই চূড়ান্ত হবে। ওই প্রতারকরা যাদের ইন্ধনে পূর্ব বর্ধমান জেলায় জাল ছড়িয়েছিল, তাদেরও চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। তারা কোথা থেকে টাকা পাচ্ছে, সেটাও দেখা উচিত। নেতৃত্বের দক্ষতা দেখে পদ দেওয়া হবে। কোনও প্রতারক টাকার বিনিময়ে পদ দিতে পরবে না। বর্ধমানের হোটেলে কারা পদের ঝুলি নিয়ে এসেছিল, পুলিস তা তদন্ত করে দেখছে। কোন কোন নেতা তাদের সঙ্গে দেখা করেছে তা নিয়েও খোঁজ শুরু হয়েছে।



