ওয়াশিংটন: দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেই রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামানোর উপর গুরুত্ব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এজন্য রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলোচনার কথাও জানান তিনি। সেইমতোই মঙ্গলবার পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বললেন ট্রাম্প। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে দু’ঘণ্টার এই কথোপকথনকে সদর্থক আখ্যা দিয়েছে হোয়াইট হাউস। বলা হয়েছে, দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হওয়া প্রয়োজন বলে সহমত পোষণ করেছেন ট্রাম্প ও পুতিন দু’জনেই। সেই সঙ্গেই আমেরিকা ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে উন্নতির পক্ষে সওয়াল করেছেন দুই নেতা। যদিও ক্রেমলিনের তরফে প্রকাশিত বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে, শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সুনির্দিষ্ট শর্ত রেখেছেন পুতিন। রুশ প্রেসিডেন্ট বলেছেন, সংঘর্ষ বিরতির জন্য সর্বাগ্রে ইউক্রেনকে বিদেশি সামরিক সাহায্য ও গোয়েন্দা তথ্য প্রদান বন্ধ করতে হবে। তবে শর্ত চাপালেও শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই উদ্যোগে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে ভোলেননি পুতিন। এদিনের আলোচনার আরও একটি তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, ইউক্রেন ও রাশিয়া দু’পক্ষকেই ট্রাম্প ৩০ দিনের জন্য বিদ্যুৎ পরিকাঠামোগুলিতে হামলা বন্ধ রাখার প্রস্তাব দেন। ক্রেমলিনের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, পুতিন সেই প্রস্তাব মেনে নিয়েছেন এবং রুশ বাহিনীকে সেই মতো প্রয়োজনীয় নির্দেশও দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, শুভেচ্ছাবার্তা হিসেবে দু’পক্ষই বুধবার ১৭৫ জন করে বন্দিকে মুক্তি দেবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেইসঙ্গেই রাশিয়ায় চিকিৎসাধীন ইউক্রেনের গুরুতর জখম ২৩ সেনাকর্মীকে কিয়েভের হাতে তুলে দেবে মস্কো। হোয়াইট হাউস প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে অবিলম্বে পশ্চিম এশিয়ায় আলোচনার প্রক্রিয়া শুরু হবে।



