Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মদনমোহন ঠাকুরের দোলযাত্রায় পুরুলিয়ার হলুদ পলাশের আবির

মদনমোহন ঠাকুরের দোলযাত্রায় পুরুলিয়ার হলুদ পলাশের আবির
  • ১৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: পুরুলিয়ার বলরাম থেকে এসেছে ভেষজ আবির। কোচবিহারের প্রাণের ঠাকুর মদনমোহনের জন্য হলুদ পলাশের ওই আবির পৌঁছেছে। এক-দুই কেজি নয়! ৩০ কেজি আবির এসেছে। বিপুল পরিমাণ ওই আবিরই আজ, শুক্রবার মদনমোহনকে অপর্ণ করা হবে। দোলযাত্রা উপলক্ষ্যে মন্দিরে রাখা থাকবে আবির। এছাড়াও স্থানীয়ভাবে তৈরি আরও ২০ কেজি ভেষজ আবির থাকবে মন্দিরে। ভক্তরা সেই আবির মদনমোহনের পায়ে দিতে পারবেন। 

Advertisement

এদিকে, দোল উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার রাসমেলা ময়দানে পোড়ানো হয় বুড়িরঘর। বহ্ন্যৎসবের এই প্রথায় যথারীতি উপস্থিত হয়েছিলেন রাজমাতা ও ডাঙ্গরআই মন্দিরের বিগ্রহরা। মন্দিরে সন্ধ্যারতির পর মদনমোহনকে দোলায় চাপিয়ে রাসমেলা ময়দানে নিয়ে আসা হয়। সেখানে মহা সমারোহে রাজআমলের প্রথা মেনে বুড়িরঘর পোড়ানো হয়। বিশেষ এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সন্ধ্যায় রাসমেলা ময়দানে বহু মানুষের ভিড় হয়। 
এদিকে, দোল পূর্ণিমার পূণ্য লগ্নে আজ থেকে মদনমোহন মন্দিরে প্রণামী প্রদানের জন্য চালু হচ্ছে কিউআর কোড। ভক্তরা এখন থেকে কিউআর কোড স্ক্যান করেই দেবোত্তর ট্রাস্ট বোর্ডের অ্যাকাউন্টে মদনমোহনের নামে প্রণামী প্রদান করতে পারবেন। এছাড়াও মন্দিরে যেকোনও পুজোর কুপনের টাকা, শ্রীশ্রী আনন্দময়ী ধর্মশালার যেকোনও পেমেন্ট, পার্কিং চার্জ, মন্দিরের স্টল থেকে কেনাকাটার যেকোনও পেমেন্ট নির্দিষ্ট কিউআর কোডের মাধ্যমে করা যাবে। যা সরাসরি ব্যাঙ্ক তহবিলে জমা হবে। 
কোচবিহারের মহকুমা শাসক কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দোলের দিন থেকে মদনমোহন মন্দিরে অনলাইনে কিউআর কোডের মাধ্যমে পেমেন্ট চালু হচ্ছে। সব টাকাই দেবোত্তর ট্রাস্ট বোর্ডের অ্যাকাউন্টে জমা হবে। মদনমোহনের জন্য হলুদ পলাশের ভেষজ আবির পুরুলিয়া থেকে এসেছে। 
দেবোত্তর ট্রাস্ট বোর্ডের দু’জন কর্মী পুরুলিয়ার বলরামপুর ব্লকে গিয়ে এই হলুদ পলাশের আবির নিয়ে এসেছেন। সেখানকার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের উদ্যোগে এই পলাশের আবির তৈরি হয়। প্যাকেটবন্দি আবির কোচবিহারে এসেছে। 
প্রতিবছরই দোলের দিন কোচবিহারের মদনমোহন মন্দিরে ব্যাপক ভিড় হয়। হাজার হাজার পুণ্যার্থী প্রাণেরঠাকুর মদনমোহনের পায়ে আবির দিয়ে তারপরেই দোল উৎসবে মেতে ওঠেন। রঙিন শাড়ি, সাদা পাজামা-পাঞ্জাবি  পরে যুবক-যুবতী থেকে শুরু করে মাঝ বয়সি, এমনকী বয়স্করাও এই বিশেষ দিনটিতে মদনমোহনের পায়ে আবির দিতে মন্দিরে আসেন। সারা দিনই মন্দির চত্বরে ভক্তদের ভিড় থাকে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ