Bartaman Logo
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এয়ারপোর্ট নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত পুরুলিয়ার পর্যটন ব্যবসায়ীরা

আগামী ২৮ তারিখ পুরুলিয়ার এয়ারপোর্ট নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর। প্রশাসনিক বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় খুশির হাওয়ার জেলার পর্যটন শিল্পে।

এয়ারপোর্ট নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় উচ্ছ্বসিত পুরুলিয়ার পর্যটন ব্যবসায়ীরা
  • ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: আগামী ২৮ তারিখ পুরুলিয়ার এয়ারপোর্ট নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর। প্রশাসনিক বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় খুশির হাওয়ার জেলার পর্যটন শিল্পে। হোটেল মালিক থেকে শুরু করে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্তদের মতে, ছররাতে এয়ারপোর্ট তৈরি হলে জেলার পর্যটন শিল্পের মানচিত্রটাই পাল্টে যাবে। কম সময়ে পর্যটকরা যাওয়া আসা করতে পারবেন। 

Advertisement

রবিবার প্রশাসনিক বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পুরুলিয়াতে প্লেন নামাতে হবে। এর জন্য ট্রান্সপোর্ট সেক্রেটারিকে নিয়ে এসেছিলাম। সব ফাইনাল হয়ে গেল। সিভিল এভিয়েশনের প্রতিনিধিও এসেছিল। লাইসেন্সের আবেদন করা হল। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে পুরুলিয়ার ছররাতে এয়ারপোর্ট তৈরির বিষয়ে বাজেটে অর্থ বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী চুক্তির নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করায় বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে প্রশাসনিক মহলে ও সাধারণ মানুষের মধ্যে। পুরুলিয়া শহরের উপকণ্ঠে ছররাতে ওই বিমানবন্দর তৈরি হলে জেলার পর্যটন শিল্পে বড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা। পুরুলিয়া জেলা হোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়শনের অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ চেয়ারপার্সন সঞ্জিত দত্ত বলেন, পুরুলিয়া জেলার অর্থনীতিতে একটা বড় ভূমিকা রয়েছে পর্যটন শিল্পের। এয়ারপোর্ট হয়ে গেলে যাতায়াতের অনেক সুবিধা হবে। অনেক কম সময়ে পুরুলিয়া আসতে পারবেন পর্যটকরা। ভ্রমণ বিলাসীদের খুব সুবিধা হবে। তিনি আরও বলেন, ভিন রাজ্যের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকের আনাগোনাও বাড়বে। বাজেট ঘোষণার পাশাপাশি প্রশাসনিক বৈঠকেও মুখ্যমন্ত্রীর এই পদক্ষেপেই বোঝা যাচ্ছে রাজ্য সরকার এ বিষয়ে কতটা তৎপর। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী পুরুলিয়া জেলাতে ধর্মীয় পর্যটনকে বাড়ানোর বিষয়ে জোর দেওয়ার কথা বলছেন বলে জানা গিয়েছে। পুরুলিয়া জেলাতে বহু জায়গাতেই ‌঩জৈন মূর্তি এবং দেউল রয়েছে। সেই জায়গাগুলিকে ঘিরে পর্যটন সার্কিট তৈরি হলে জেলাতে আরও বেশি পর্যটক আসবেন। বৈঠকের বিষয়ে পুরুলিয়ার বিধায়ক সুদীপ মুখোপাধ্যায় বলেন, এয়ারপোর্টের বিষয়ে আলোচনা অনেকটাই এগিয়েছে। সেই সঙ্গে পুরুলিয়া শহরের সাহেব বাঁধকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার বিষয়ে বৈঠকে কথা হয়েছে। পুরুলিয়া জেলাতে যে সমস্ত পর্যটক আসেন তাঁরা অযোধ্যা পাহাড়, গড় পঞ্চকোট সহ অন্যান্য জায়গাতে থাকলেও পুরুলিয়া শহরে রাত্রিযাপন করতে চান না। পর্যটকরা যাতে পুরুলিয়া শহরে থেকে একদিন উপভোগ করতে পারেন সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সেই সঙ্গে মিনি জুতে যে জলাশয় রয়েছে তাতে ওয়াটার স্পোর্টস করা যায় কি না, তা দেখতে বলা হয়েছে। শহরের অদূরেই থাকা লোহারসোল ড্যামকেও পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান বিধায়ক। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ